‘অন্ধ্রে হেরেও জগনের দাবিতে সায় মোদীর, কেন শপথ এড়ালেন মমতা?’ কটাক্ষ শিবসেনার
আরও একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে ওই সম্পাদকীয়তে। অন্ধ্রপ্রদেশের জগন্মোহন রেড্ডিকে ‘বিজয়ী বীর’ বলে প্রশংসা করে সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘জগন দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। অন্ধ্রের জন্য বিশেষ প্যাকেজের দাবিও জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেটা মেনেও নিয়েছেন। অথচ, অন্ধ্রে তো বিজেপির পারফরম্যান্স মোটেই ভাল হয়নি লোকসভা নির্বাচনে।’’
shiv sena

শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে। -ফাইল ছবি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ দ্বিতীয় এনডিএ মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের না যাওয়ার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করল শিবসেনা। দলের মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘যাঁরা হিংসার বলি হয়েছেন, তাঁদের পরিবারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করাটা ঠিক কাজ হয়নি। ওই পরিবারগুলির সদস্যরা কেউই তো বাংলাদেশি নন। সকলেই ভারতীয়। অন্য কারও মতো, প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে হাজির থাকার অধিকার তাঁদেরও রয়েছে।’’

‘ঈশ্বরীয় যোজনা’ শীর্ষক সামনার ওই সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘বিরোধীরা বলেছিলেন, (প্রধানমন্ত্রী) মোদী যদি ক্ষমতায় ফেরেন, তা হলে দেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে। মোদীর ‘স্বৈরতান্ত্রিক কার্যকলাপে’র বিরুদ্ধে তখন যাঁরা সবচেয়ে বেশি সরব ছিলেন, মমতা তাঁদের অন্যতম। কিন্তু (প্রধানমন্ত্রী) মোদী গণতান্ত্রিক ভাবেই নির্বাচিত হয়েছেন। আর সংবিধান মেনেই তিনি শপথ নিচ্ছেন। সেই অনুষ্ঠানে মমতার গরহাজির থাকার সিদ্ধান্ত তাই সমর্থনযোগ্য নয়।’’

লোকসভা ভোট চলার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী-সহ এনডিএ নেতারা যে সাংবিধানিক কর্তব্যে অবিচল থেকেছেন, তা মনে করিয়ে দিয়ে সামনার ওই সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘লোকসভা ভোটের সময়েই সাইক্লোন ফণী হয়েছিল ওড়িশায়। তাতে ওড়িশার খুব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদী কিন্তু ওই সময় যথেষ্টই সাহায্য করেছিলেন ওড়িশাকে। তার পরেও ভোটে ওড়িশায় বিজেপির পারফরম্যান্স ভাল হয়নি। বিজেপি হেরে গিয়েছে।’’

আরও পড়ুন- মহাত্মা গাঁধী, বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথের দিন শুরু করলেন মোদী​

আরও দেখুন- অম্বানী থেকে বিল গেটস, শাহরুখ, কঙ্গনা...মোদীর শপথে থাকতে পারেন যাঁরা​

আরও একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে ওই সম্পাদকীয়তে। অন্ধ্রপ্রদেশের জগন্মোহন রেড্ডিকে ‘বিজয়ী বীর’ বলে প্রশংসা করে সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘জগন দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। অন্ধ্রের জন্য বিশেষ প্যাকেজের দাবিও জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেটা মেনেও নিয়েছেন। অথচ, অন্ধ্রে তো বিজেপির পারফরম্যান্স মোটেই ভাল হয়নি লোকসভা নির্বাচনে।’’

মমতার সমালোচনার পাশাপাশি, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফেরার পরেও প্রধানমন্ত্রী মোদী যে বিরোধীদের কোনও রকমের কটাক্ষ করেননি এখনও পর্যন্ত, তারও ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে সামনার সম্পাদকীয়তে। শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্তকেও প্রশংসা করেছে ওই সম্পাদকীয়। লিখেছে, ‘‘মোদীর নেতৃত্বে দেশটা চলছে ঈশ্বরের ইচ্ছায় (ঈশ্বরীয় যোজনা)।’’

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত