হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ জানাতে চলেছেন বিরোধীরা। আজ দিল্লিতে ১৩টি বিরোধী দলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূলের তরফে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কাছে ১৩টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সই করা স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্ট ব্যক্তি পরিসরের অধিকার বা ‘রাইট টু প্রাইভেসি’-কে সংবিধানের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ জানানো হবে। দেশের বেশ কয়েক জন মানবাধিকার কর্মী, রাজনীতিক, সাংবাদিকের উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে তাঁদের সতর্ক করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। 

হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ইজ়রায়েলের সংস্থা এনএসও হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে মোবাইলে স্পাইওয়্যার বসিয়ে আড়ি পাতছিল। এনএসও অবশ্য জানিয়েছে, শুধুমাত্র সরকারি সংস্থাকেই তারা এই প্রযুক্তি বিক্রি করেছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই মোদী সরকারের দিকেই আঙুল উঠেছে। কংগ্রেস দাবি করেছে, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরার ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: রিয়াং নেতাদের দিকে আঙুল রাজ্য প্রশাসনের

গোটা বিষয়টি রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়ে জানানো হবে। আজই ১৩টি দলের নেতারা তাতে সই করে দিয়েছেন। এ দিনই প্রাক্তন আরএসএস নেতা কে এন গোবিন্দাচার্য সুপ্রিম কোর্টে এ বিষয়ে মামলা করেছেন। তাঁর আর্জি, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, এনএসও-র বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে এফআইআর করে এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করানো হোক।