হাইলাকান্দিতে সরকারি জমি বেদখলের অভিযোগের তদন্ত শেষ হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ম্যাজিস্ট্রেট ডি হাতিবড়ুয়া এ সংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্ট হাইলাকান্দির জেলাশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন।

হাইলাকান্দি ‘স্টাটফেড’ সংস্থার জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে সম্প্রতি জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি। সংগঠনটি নালিশ জানায়, হাইলাকান্দির রাঙ্গাউটি প্রথম খণ্ড গ্রামে স্টাটফেডের ভবন নির্মাণের জন্য ১৯৯০ সালে ৫ বিঘা জমি কেনা হয়েছিল। জমির এক দিকে স্টাটফেড-এর ভবন নির্মান করা হলেও, বাকি জায়গা পরিতাক্ত অবস্থায় ছিল। কয়েক দিন আগে ওই জমি বেদখল করার চেষ্টা শুরু হয়। ওই জমিতে বেড়া দিয়ে, গাছ লাগিয়ে দেয় তারা। তা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি বলে দাবি করা হয়।

কৃষক মুক্তির অভিযোগ পেয়ে জেলাশাসক তদন্তের নির্দেশ দেন। ম্যাজিস্ট্রেট ডি হাতিবড়ুয়া ২৬ অগস্ট তাঁর তদন্ত রিপোর্ট জেলাশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, কেএমএসএস সংগঠনের অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মিলেছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে। সরকারি জমিতে জহরদখলকারীর উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট।

তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হওয়ায় খুশি কৃষক মুক্তির নেতারা। সংগঠনের হাইলাকান্দি জেলা সাধারণ সম্পাদক জহিরউদ্দিন লস্কর ও সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ বলেছেন— ‘সরকারি জমি দখল করে সেখানে ঘর তৈরি হচ্ছে। লাগানো হচ্ছে গাছ। অথচ প্রশাসন কিছু জানতে পারেনি, এমন ভাবাও যায় না। তাঁরা সরকারি জমি দখলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ম্যাজিস্ট্রেট হাতিবড়ুয়া জানিয়েছেন, তিনি তদন্ত রিপোর্ট জেলাশাসককে দিয়েছেন।