গাঁধী পরিবারের গড় বলে পরিচিত উত্তরপ্রদেশের অমেঠী লোকসভা কেন্দ্রে এ বার তিনি কংগ্রেসকে ধরাশায়ী করেছেন। বিজেপি নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির দাবি, অমেঠীর মানুষ তাঁকে ‘দিদি’ হিসেবে নির্বাচিত করেছেন, সাংসদ হিসেবে নয়। গত কাল অমেঠীতে একগুচ্ছ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন মেয়েদের শিক্ষা ও নিরাপত্তার উপরে।

অমেঠীতে রাহুল গাঁধীকে ৫৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন স্মৃতি। জগদীশপুরে একটি অনুষ্ঠানে গত কাল তিনি দাবি করেন, অমেঠীতে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য তিনি ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প এনেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এখানকার মানুষ আমাকে সাংসদ হিসেবে জেতাননি, দিদি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। অমেঠী আমার বাড়ি এবং আমি সবসময় এর সম্মানরক্ষা করব।’’

নারী শিক্ষার উপর জোর দিয়ে স্মৃতি বলেছেন, ‘‘মেয়েদের পড়াশোনার বিষয়ে পরিবারগুলিকে আরও নজর দিতে হবে। কারণ, মেয়েরা শিক্ষিত হলে দেশ এবং সমাজ শক্তিশালী হবে।’’ উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতনের একের পর এক ঘটনা যোগী আদিত্যনাথ সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রীর বার্তা, ‘‘মহিলাদের সম্মান রক্ষা করা এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা পুলিশের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। যারা মহিলাদের নিরাপত্তা এবং সম্মানে আঘাত করবে, তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’’ 

অমেঠীতে স্মৃতি মেয়েদের একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি, তাঁর নির্বাচনীর কেন্দ্রের প্রতিটি ব্লকে রাজ্য সরকারের সহায়তায় সাংসদ তহবিলের টাকায় দমকল কেন্দ্র তৈরি করবেন।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।