রোহিত ভেমুলা এবং পায়েল তদভির মায়েদের আর্জি শুক্রবার শুনতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি জাতিবিদ্বেষ রুখতে কী ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা জানতে কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।

জাতিবিদ্বেষের শিকার হয়ে আত্মঘাতী হন রোহিত এবং পায়েল। তাঁদের সুইসাইড নোট থেকেই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে বৈষম্যের ছবিটা স্পষ্ট হয়েছিল। কোনও ছাত্রছাত্রী ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের হেনস্থার শিকার না-হন সেই আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন রোহিত এবং পায়েলের মা। তাঁদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংহ জানিয়েছেন, এ নিয়ে ইউজিসি-র নির্দেশিকা থাকলেও কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই সে গুলি মেনে চলে না।

বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি জাতিবিদ্বেষ রুখতে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এন ভি রামানা এবং বিচারপতি অজয় রস্তোগির বেঞ্চ কেন্দ্র ও ইউজিসি-র কাছে আজ তা জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে। আগামী চার সপ্তাহে শীর্ষ আদালতে জবাব দিতে হবে। আবেদনকারীদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিংহ জানান, জাতি বৈষম্যের শিকার হয়ে এখনও বহু ছাত্রছাত্রীই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।