এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের(ইডি) যুগ্ম অধিকর্তা সত্যব্রত কুমারকে নীরব মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে যে খবর প্রকাশ্যে এসেছিল তা সম্পূর্ণ ভুল বলেই দাবি করল ইডি। তদন্তকারী সংস্থাটি তাদের টুইটার হ্যান্ডলে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলে, ‘সত্যব্রত কুমারকে নীরব মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে’— এমনই একটি রিপোর্ট বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে ঘুরছিল। কিন্তু সেই রিপোর্ট ঠিক নয়।

হাই প্রোফাইল মামলার মাঝপথে সত্যব্রতকে সরিয়ে দেওয়ার খবরটি সামনে আসতেই  নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে বেশ ‘অস্বস্তির’ মুখে পড়ে ইডি। সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি সেই নির্দেশ বাতিল করে দেন ইডি অধিকর্তা সঞ্জয় মিশ্র।  

নীরব মোদীর জামিনের বিরোধিতা করতে সিবিআই-ইডি-র যে প্রতিনিধি দলটি লন্ডনে রয়েছে, সত্যব্রত ছিলেন সেই দলের অন্যতম সদস্য। ২৯ মার্চ ছিল নীরব মোদীর জামিনের আর্জির শুনানির দিন। কিন্তু শুনানি শুরুর আগেই সত্যব্রতকে ‘সরিয়ে’ দেওয়ার নির্দেশ আসে। সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, এ দিনই পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হল সত্যব্রতের। তাঁর মেয়াদ আর বাড়ানো হচ্ছে না। ইডি-র মুম্বই শাখার অতিরিক্ত অধিকর্তাকে তাঁর জায়গায় আনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অমেঠির সঙ্গে কেরলের ওয়ানাড কেন্দ্রেও প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল, ঘোষণা কংগ্রেসের

আরও পড়ুন: খাশোগি খুনের খবর রুখতে অ্যামাজন কর্তার ফোন হ্যাক করিয়েছিল সৌদি সরকার!

মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও কোনও আধিকারিক যদি তাঁর আওতার বাইরে গিয়ে কাজ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। গত ২৬ মার্চ  তাদের সমস্ত শাখায় এমনই একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সদর দফতর। এই নির্দেশিকার ঠিক পর দিনই  নীরব মামলার জন্য সিবিআই-ইডির তৈরি বিশেষ দলে লন্ডনে পাঠানো হয়েছিল সত্যব্রতকে। সূত্রের খবর, ১২ মার্চ কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল সত্যব্রতর। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ২৬ মার্চ ইডির সদর দফতরের সেই নির্দেশিকার পরও কেন লন্ডনে পাঠানো হল সত্যব্রতকে। যদিও এ বিষয়ে ইডি-র তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ইডি-র আধিকারিকরাও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।