Advertisement
০১ মার্চ ২০২৪
Scaphism

রাজার সবচেয়ে ঘৃণার পাত্র! কী ভাবে তিলে তিলে মারা হত তাঁদের?

পৃথিবীর যত রকম জঘন্য মৃত্যুদণ্ডের বিবরণ জানা গিয়েছে, নৃশংসতার বিচারে সেই তালিকায় সবার উপরে থাকার কথা ‘স্ক্যাফিজম’-এর। রাজা যাঁকে এই শাস্তি দিতেন, তাঁকে তিনি কতটা ঘৃণা করতেন, তা শাস্তির ধরন দেখেই অনুমেয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬:৩৪
Share: Save:
০১ ২২
শাস্তির নাম ‘স্ক্যাফিজম’। রাজা যখন তাঁর সবচেয়ে ঘৃণার পাত্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা ভাবতেন, তখন সেই হতভাগ্যকে এই শাস্তি দেওয়া হত। আর সেই মৃত্যু হত এমন, যার কথা শুনে ঘৃণায় শিউরে উঠতেন যিনি শাস্তি পাচ্ছেন, তাঁর প্রিয়জনও।

শাস্তির নাম ‘স্ক্যাফিজম’। রাজা যখন তাঁর সবচেয়ে ঘৃণার পাত্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা ভাবতেন, তখন সেই হতভাগ্যকে এই শাস্তি দেওয়া হত। আর সেই মৃত্যু হত এমন, যার কথা শুনে ঘৃণায় শিউরে উঠতেন যিনি শাস্তি পাচ্ছেন, তাঁর প্রিয়জনও।

০২ ২২
শাস্তি পাওয়া মানুষটিকে এক দিন বা এক সপ্তাহও নয়, টানা অন্তত এক পক্ষকাল (অর্থাৎ ১৫ দিন) ধরে তিলে তিলে নরকযন্ত্রণা ভোগ করিয়ে মারা হত। তবে সেই যন্ত্রণা শুধু শারীরিক যন্ত্রণা নয়, মানসিক অত্যাচারও।

শাস্তি পাওয়া মানুষটিকে এক দিন বা এক সপ্তাহও নয়, টানা অন্তত এক পক্ষকাল (অর্থাৎ ১৫ দিন) ধরে তিলে তিলে নরকযন্ত্রণা ভোগ করিয়ে মারা হত। তবে সেই যন্ত্রণা শুধু শারীরিক যন্ত্রণা নয়, মানসিক অত্যাচারও।

০৩ ২২
ঘৃণা মানুষের সবচেয়ে জোরালো আবেগগুলির মধ্যে একটি। রাজা তাঁর ঘৃণার পাত্রের সেই অনুভূতিতেই আঘাত করতেন। ‘স্ক্যাফিজম’ শাস্তির মূল লক্ষ্য এটিই।

ঘৃণা মানুষের সবচেয়ে জোরালো আবেগগুলির মধ্যে একটি। রাজা তাঁর ঘৃণার পাত্রের সেই অনুভূতিতেই আঘাত করতেন। ‘স্ক্যাফিজম’ শাস্তির মূল লক্ষ্য এটিই।

০৪ ২২
গ্রিক শব্দ ‘স্ক্যাফি’ থেকে এসেছে ‘স্ক্যাফিজম’ শব্দটি। ‘স্ক্যাফি’ কথার অর্থ ‘কুণ্ড’ বা অনেক জিনিস রাখার বড় পাত্র। আবার ‘স্ক্যাফি’ শব্দটি গ্রিক অভিধানে পোকামাকড়ের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। ‘স্ক্যাফি’ শব্দের আরও একটি অর্থ নৌকা। ‘স্ক্যাফিজম’ শাস্তিতে এই তিনটি বিষয়েরই ভূমিকা আছে।

গ্রিক শব্দ ‘স্ক্যাফি’ থেকে এসেছে ‘স্ক্যাফিজম’ শব্দটি। ‘স্ক্যাফি’ কথার অর্থ ‘কুণ্ড’ বা অনেক জিনিস রাখার বড় পাত্র। আবার ‘স্ক্যাফি’ শব্দটি গ্রিক অভিধানে পোকামাকড়ের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। ‘স্ক্যাফি’ শব্দের আরও একটি অর্থ নৌকা। ‘স্ক্যাফিজম’ শাস্তিতে এই তিনটি বিষয়েরই ভূমিকা আছে।

০৫ ২২
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত মানুষটিকে নগ্ন করে তাঁর নিজস্ব বর্জ্যের কুণ্ডেই ডুবিয়ে দেওয়া হত এই শাস্তিতে। তবে সেটুকু বললে প্রায় কিছুই বলা হয় না।

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত মানুষটিকে নগ্ন করে তাঁর নিজস্ব বর্জ্যের কুণ্ডেই ডুবিয়ে দেওয়া হত এই শাস্তিতে। তবে সেটুকু বললে প্রায় কিছুই বলা হয় না।

০৬ ২২
‘স্ক্যাফিজম’-এর চল ছিল প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্যে। তখন গ্রিস থেকে শুরু করে আফগানিস্তান এমনকি পাকিস্তানের সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিলে এই সাম্রাজ্য। অর্থাৎ ভারতের কাঁধ প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিল পারস্য রাজার বিজয় রথ।

‘স্ক্যাফিজম’-এর চল ছিল প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্যে। তখন গ্রিস থেকে শুরু করে আফগানিস্তান এমনকি পাকিস্তানের সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিলে এই সাম্রাজ্য। অর্থাৎ ভারতের কাঁধ প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিল পারস্য রাজার বিজয় রথ।

০৭ ২২
ওই বিপুল সাম্রাজ্যের নাম ছিল আর্কিমিডিয়ান সাম্রাজ্য। যার রাজার রাজা ছিলেন আর্সিস। এই আর্সিস নিজের ভাইয়ের অকালমৃত্যুর পর তাঁর হত্যাকারীর উপরেই এই শাস্তি প্রয়োগ করেন।

ওই বিপুল সাম্রাজ্যের নাম ছিল আর্কিমিডিয়ান সাম্রাজ্য। যার রাজার রাজা ছিলেন আর্সিস। এই আর্সিস নিজের ভাইয়ের অকালমৃত্যুর পর তাঁর হত্যাকারীর উপরেই এই শাস্তি প্রয়োগ করেন।

০৮ ২২
পারস্যের দার্শনিক তথা ঐতিহাসিক তথা খ্যাতনামা জীবনীকার প্লুটার্ক একটি বই লিখেছিলেন রাজার রাজা আর্সিসের জীবন নিয়ে। সেই বইয়েই তিনি লিখে গিয়েছেন এই শাস্তির বিবরণ।

পারস্যের দার্শনিক তথা ঐতিহাসিক তথা খ্যাতনামা জীবনীকার প্লুটার্ক একটি বই লিখেছিলেন রাজার রাজা আর্সিসের জীবন নিয়ে। সেই বইয়েই তিনি লিখে গিয়েছেন এই শাস্তির বিবরণ।

০৯ ২২
প্লুটার্কের লেখা থেকে শাস্তির কিছুটা বিবরণ দেওয়া যাক। ‘লাইফ অফ আর্সিস’ বইয়ে তিনি লিখছেন, ‘‘রাজা বললেন, মিথরিডেটসকে নৌকার শাস্তি পেতে হবে।’’ মিথরিডেটস ছিলেন একজন সেনাপতি। যিনি আর্সিসের ভাই সাইরাস দ্য ইয়ংগারকে হত্যা করেছিলেন।

প্লুটার্কের লেখা থেকে শাস্তির কিছুটা বিবরণ দেওয়া যাক। ‘লাইফ অফ আর্সিস’ বইয়ে তিনি লিখছেন, ‘‘রাজা বললেন, মিথরিডেটসকে নৌকার শাস্তি পেতে হবে।’’ মিথরিডেটস ছিলেন একজন সেনাপতি। যিনি আর্সিসের ভাই সাইরাস দ্য ইয়ংগারকে হত্যা করেছিলেন।

১০ ২২
কিন্তু ‘নৌকার শাস্তি’ কী? এই শাস্তিই হল ‘স্ক্যাফিজম’। যেখানে দু’টি নৌকাকে মুখোমুখি রেখে অর্থাৎ একটির উপর আরেকটিকে উপুড় করে রেখে তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে সাজাপ্রাপ্তকে। তবে পুরোপুরি নয়।

কিন্তু ‘নৌকার শাস্তি’ কী? এই শাস্তিই হল ‘স্ক্যাফিজম’। যেখানে দু’টি নৌকাকে মুখোমুখি রেখে অর্থাৎ একটির উপর আরেকটিকে উপুড় করে রেখে তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে সাজাপ্রাপ্তকে। তবে পুরোপুরি নয়।

১১ ২২
এই শাস্তি পাওয়ার প্রথম পর্বে শাস্তিপ্রাপ্তকে সমস্ত পোশাক-আশাক খুলিয়ে নগ্ন করে দেওয়া হবে। তার পর নৌকার ভিতরে তাকে ঢুকিয়ে কয়েকটি অংশে গর্ত তৈরি করে সেখান থেকে বের করে রাখা হবে তাঁর মাথা, দু’হাত এবং পা দু’টিকে। এর পর শুরু হবে অত্যাচার।

এই শাস্তি পাওয়ার প্রথম পর্বে শাস্তিপ্রাপ্তকে সমস্ত পোশাক-আশাক খুলিয়ে নগ্ন করে দেওয়া হবে। তার পর নৌকার ভিতরে তাকে ঢুকিয়ে কয়েকটি অংশে গর্ত তৈরি করে সেখান থেকে বের করে রাখা হবে তাঁর মাথা, দু’হাত এবং পা দু’টিকে। এর পর শুরু হবে অত্যাচার।

১২ ২২
ওই অবস্থায় তাঁকে এমন জায়গায় ফেলে রাখা হবে, যেখানে সারাদিন চড়া রোদ পড়ে। আর প্রতিদিন খাওয়ানো হবে দুধ আর মধু। যতক্ষণ না শাস্তি পাওয়া মানুষটির পেট খারাপ হয়ে ডাইরিয়া না হয়ে যায়।

ওই অবস্থায় তাঁকে এমন জায়গায় ফেলে রাখা হবে, যেখানে সারাদিন চড়া রোদ পড়ে। আর প্রতিদিন খাওয়ানো হবে দুধ আর মধু। যতক্ষণ না শাস্তি পাওয়া মানুষটির পেট খারাপ হয়ে ডাইরিয়া না হয়ে যায়।

১৩ ২২
সারাদিন রোদে থেকে এবং রোজ দিনভর দুধ আর মধু খাওয়ার দু’এক দিনের মধ্যেই ডাইরিয়া শুরু হত। ফলে শাস্তি পাওয়া মানুষটির নিজেরই বর্জ্যে ভর্তি হতে শুরু করত নৌকার ভিতরের ফাঁকা অংশ। তার পরও বন্ধ হত না দুধ আর মধু খাওয়ানো। বরং এই অবস্থায় যদি মানুষটি ওই খাবার খেতে না চায় তবে তার চোখে ছুঁচ বিঁধিয়ে অত্যাচার করে তাকে বাধ্য করা হত ওই খাবার খেতে।

সারাদিন রোদে থেকে এবং রোজ দিনভর দুধ আর মধু খাওয়ার দু’এক দিনের মধ্যেই ডাইরিয়া শুরু হত। ফলে শাস্তি পাওয়া মানুষটির নিজেরই বর্জ্যে ভর্তি হতে শুরু করত নৌকার ভিতরের ফাঁকা অংশ। তার পরও বন্ধ হত না দুধ আর মধু খাওয়ানো। বরং এই অবস্থায় যদি মানুষটি ওই খাবার খেতে না চায় তবে তার চোখে ছুঁচ বিঁধিয়ে অত্যাচার করে তাকে বাধ্য করা হত ওই খাবার খেতে।

১৪ ২২
এখানে সবে অত্যাচারের শুরু। এর পর মানুষটির বাইরে বেরিয়ে থাকা শরীরের অংশে অর্থাৎ মুখ-মাথা-হাত-পায়ে রোজ মালিশ করা শুরু হত মধু। যাতে মধুর গন্ধে পোকামাকড় এসে ছেঁকে ধরে তাকে। এর পর প্রতিদিন নিয়ম করে রাজার কর্মীরা এসে মধু ঢেলে যেত তার উপর।

এখানে সবে অত্যাচারের শুরু। এর পর মানুষটির বাইরে বেরিয়ে থাকা শরীরের অংশে অর্থাৎ মুখ-মাথা-হাত-পায়ে রোজ মালিশ করা শুরু হত মধু। যাতে মধুর গন্ধে পোকামাকড় এসে ছেঁকে ধরে তাকে। এর পর প্রতিদিন নিয়ম করে রাজার কর্মীরা এসে মধু ঢেলে যেত তার উপর।

১৫ ২২
একটা সময় পোকামাকড় মধু ছেড়ে মাংস খাওয়া শুরু করত। খুবলে নিত চোখ-নাক-মুখ। তার পরও আসত না মৃত্যু। শাস্তিপ্রাপ্তকে বাঁচিয়ে রাখতে তখনও চলত বলপূর্বক দুধ-মধু খাওয়ানো।

একটা সময় পোকামাকড় মধু ছেড়ে মাংস খাওয়া শুরু করত। খুবলে নিত চোখ-নাক-মুখ। তার পরও আসত না মৃত্যু। শাস্তিপ্রাপ্তকে বাঁচিয়ে রাখতে তখনও চলত বলপূর্বক দুধ-মধু খাওয়ানো।

১৬ ২২
এই অবস্থায় নৌকো ওই মানুষটির বর্জ্যে প্রায় ভরে গেলে নৌকোটির উপরের ঢাকা সরিয়ে সেটিকে ভাসিয়ে দেওয়া হত বদ্ধ জলাশয়ে। কয়েক দিনের মধ্যে মানুষটি মানসিক অবনতি হতে শুরু করত। বর্জ্যের কুণ্ডে পড়ে থাকা শরীরেও পচন ধরে যেত। অচেতন হতে শুরু করত মস্তিষ্ক। তার পর হত মৃত্যু।

এই অবস্থায় নৌকো ওই মানুষটির বর্জ্যে প্রায় ভরে গেলে নৌকোটির উপরের ঢাকা সরিয়ে সেটিকে ভাসিয়ে দেওয়া হত বদ্ধ জলাশয়ে। কয়েক দিনের মধ্যে মানুষটি মানসিক অবনতি হতে শুরু করত। বর্জ্যের কুণ্ডে পড়ে থাকা শরীরেও পচন ধরে যেত। অচেতন হতে শুরু করত মস্তিষ্ক। তার পর হত মৃত্যু।

১৭ ২২
প্লুটার্ক জানিয়েছেন, মিথরিডেটসের মৃত্যু হয়েছিল এই শাস্তি পাওয়ার ১৭ দিনের মাথায়।

প্লুটার্ক জানিয়েছেন, মিথরিডেটসের মৃত্যু হয়েছিল এই শাস্তি পাওয়ার ১৭ দিনের মাথায়।

১৮ ২২
তবে প্লুটার্ক যা-ই লিখে যান, ইতিহাস বলছে সাইরাস দ্য ইয়ংগারকে মারেননি মিথরিডেটস। তবে তাঁর হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তার জন্য শুধু তাঁকেই ওই শাস্তি পেতে হয়েছিল।

তবে প্লুটার্ক যা-ই লিখে যান, ইতিহাস বলছে সাইরাস দ্য ইয়ংগারকে মারেননি মিথরিডেটস। তবে তাঁর হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তার জন্য শুধু তাঁকেই ওই শাস্তি পেতে হয়েছিল।

১৯ ২২
শোনা যায়, পারস্য সাম্রাজ্যে এমন শাস্তির চল বহু দিন ছিল। রাজা আর্সিসের সময়ে। পরে নেটিভ আমেরিকানদের মধ্যে কিছুটা একই পদ্ধতিতে শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়। তবে তারা শাস্তি পাওয়া মানুষটিকে জোড় করে খাওয়াতো না। ফলে না খেতে পেয়ে এবং পোকামাকড়ের কামড়ে মৃত্যু হত তাঁদের।

শোনা যায়, পারস্য সাম্রাজ্যে এমন শাস্তির চল বহু দিন ছিল। রাজা আর্সিসের সময়ে। পরে নেটিভ আমেরিকানদের মধ্যে কিছুটা একই পদ্ধতিতে শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়। তবে তারা শাস্তি পাওয়া মানুষটিকে জোড় করে খাওয়াতো না। ফলে না খেতে পেয়ে এবং পোকামাকড়ের কামড়ে মৃত্যু হত তাঁদের।

২০ ২২
তবে পারস্য দেশে এই শাস্তির চলছিল ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের আশপাশে। পরে উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘দ্য উইন্টার্স টেল’ নাটকে এই শাস্তির উল্লেখ পাওয়া যায়। স্যার হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের উপন্যাস ‘দ্য অ্যানসিয়েন্ট অ্যালান’-এও গল্পের মূল চরিত্র তাঁর পূর্বজন্মের কথা মনে করতে গিয়ে রাজা আর্সিস এবং তাঁর দেওয়া শাস্তির উল্লেখ করেন।

তবে পারস্য দেশে এই শাস্তির চলছিল ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের আশপাশে। পরে উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘দ্য উইন্টার্স টেল’ নাটকে এই শাস্তির উল্লেখ পাওয়া যায়। স্যার হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের উপন্যাস ‘দ্য অ্যানসিয়েন্ট অ্যালান’-এও গল্পের মূল চরিত্র তাঁর পূর্বজন্মের কথা মনে করতে গিয়ে রাজা আর্সিস এবং তাঁর দেওয়া শাস্তির উল্লেখ করেন।

২১ ২২
সাম্প্রতিক কালে আমেরিকার বেশ কয়েকটি টিভি ধারাবাহিকেও রয়েছে এই ধরনের শাস্তির বর্ণনা। সিরিজগুলির নাম ‘দ্য ভেনচার ব্রাদার্স’, ‘ইনস্টিন্কট’, ‘ইয়োর প্রেটি ফেস গোয়িং টু হেল’।

সাম্প্রতিক কালে আমেরিকার বেশ কয়েকটি টিভি ধারাবাহিকেও রয়েছে এই ধরনের শাস্তির বর্ণনা। সিরিজগুলির নাম ‘দ্য ভেনচার ব্রাদার্স’, ‘ইনস্টিন্কট’, ‘ইয়োর প্রেটি ফেস গোয়িং টু হেল’।

২২ ২২
তবে এমন শাস্তির বর্ণনা টিভিতে দেখতে পাওয়াও অনেকের কাছেই যন্ত্রণার বিষয় হতে পারে।

তবে এমন শাস্তির বর্ণনা টিভিতে দেখতে পাওয়াও অনেকের কাছেই যন্ত্রণার বিষয় হতে পারে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE