• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

খেলা

ফ্রান্সের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আট প্রধান কারণ

শেয়ার করুন
France Win
স্লো বাট স্টেডি উইনস দ্য রেস। প্রমাণ করে দিল ফ্রান্স। ডেনমার্কের সঙ্গে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে গোলশূন্য ড্রয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন বড়জোর কোয়ার্টার ফাইনাল। তারপরেই দৌ‌ড় শেষ হয়ে যাবে ফরাসিদের। কিন্তু সব ছক উল্টে দিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ালেন তাঁরাই। শেষ হাসি হাসল, ছবির দেশ, কবিতার দেশ।
France
ফ্রান্সের এই দলের গড় বয়স মাত্র ২৬। তারুণ্যে ভর করেই এ বারে চ্যাম্পিয়ন হল ফ্রান্স। মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য বিশ্বকাপটা নিজেদের দখলে রাখলেন এমবাপেরা।
Euro Final
২০১৬ ইউরো ফাইনালে অপেক্ষাকৃত দু্র্বল দল পর্তুগালের কাছে হেরে যাওয়ার মনখারাপটা ভুলতে পারেনি ফ্রান্স। অনেকেই সেই সময় বলেছিলেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হল ফরাসিদের। এ বার তাই প্রথম থেকেই দেশঁর ছেলেদের আত্মবিশ্বাস ছিল, কিন্তু তা কখনই অতিরিক্ত ছিল না।
France Team
তুলনামূলক ভাবে নতুন প্রতিভাদের নিয়ে গড়া দল এই ফ্রান্স৷ সেখানে আছেন পরীক্ষিত ও উদীয়মান তারকারা৷ বিশ্বকাপ জুড়ে তাঁরা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সবাইকে ছাপিয়ে না গেলেও শক্তিশালী দল হিসেবে সমীহ আদায় করেছে৷
Kante
মিডফিল্ডার কঁতে প্রতিপক্ষের পা থেকে মোট ৫২ বার বল ছিনিয়ে নিয়েছেন। প্রতিটি ম্যাচে তাঁর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করেছিল দল। আর্জেন্টিনাকে যে ম্যাচে ফ্রান্স হারাল, সেখানে মেসিকে কিন্তু আটকে দিয়েছিলেন এই তরুণই।
France Team
কিলিয়ান এমবাপে, পোগবা, গ্রিজম্যানদের লক্ষ্যভেদই ফ্রান্সকে এনে দিয়েছে জয়ের শিরোপা। ফাইনালে গ্রিজম্যানের ফ্রি কিকেই মানজুকিচের মাথা ছুঁয়ে বল জালে জড়ানোয় ‌আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে লুকা মদ্রিচের দল।
Griezmann
ভারের মাধ্যমে রেফারির পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কিন্তু ফ্রান্সের মনোবল বাড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ। পেনাল্টি থেকে টুর্নামেন্টে নিজের চতুর্থ গোলটি করে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন আতোঁয়া গ্রিজম্যান।
Kylian Mbappé
ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল করেন এমবাপে। মাত্র উনিশ বছর বয়সেই বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করে ছুঁয়ে ফেললেন কিংবদন্তি পেলেকে। পুরো টুর্নামেন্টেই এমবাপের গতি সমস্যায় ফেলেছে বিপক্ষকে।
France Coach
ফ্রান্সের অভিজ্ঞতাও বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দিদিয়ের দেশঁর ক্ষুরধার মস্তিষ্কের কাছেই হেরে গিয়েছেন বিপক্ষের কোচরা। ’৯৮ বিশ্বকাপে তাঁর অধিনায়কত্বেই জিতেছিল ফ্রান্স।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
বাছাই খবর
আরও পড়ুন