বরাহনগরের ছেলের হাতেই শুরু হল ভারতের রিও অভিযান। রিকার্ভ তিরন্দাজিতে ব্যক্তিগত বিভাগের বাছাই পর্বে অতনু দাস শেষ করলেন পাঁচে। রিকার্ভে মেয়েরা অবশ্য প্রথম দশে থেকে কোয়ালিফাইং রাউন্ড পেরতে পারলেন না। দলগত বিভাগে সাতে শেষ করলেও ব্যক্তিগত বিভাগে প্রাক্তন এক নম্বর দীপিকা কুমারি ২০ নম্বরে। বোম্বাইলা দেবী ও লক্ষ্মীরানি মাঝি যথাক্রমে ২৪ ও ৪৩ নম্বর স্থানে কোয়ালিফাই করলেন।

 প্রথম ৩৬ তির ছোড়ার পর অতনু দশে ছিলেন। চূড়ান্ত ৩৬ তিরে ২৩টা পারফেক্ট টেন আর ১০টা সেন্টারের কাছাকাছি তির ছুড়ে সম্ভাব্য ৭২০-র মধ্যে ৬৮৩ পয়েন্ট পান অতনু। ২০১২ লন্ডনে রুপোজয়ী তাকাহারু ফুরুকাওয়ার থেকেও এগিয়ে তিনি। এ দিন কোরিয়ার দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কিম উ জিন ৭০০ স্কোর করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।

এলিমিনেশনে অতনুর প্রতিদ্বন্দ্বী ৬০ নম্বর বাছাই নেপালের জিত বাহাদুর মুকতান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ২২ নম্বর অতনু পদক জয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে উঠলে শীর্ষ বাছাই উ জিনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ দিনের পারফরম্যান্সের পর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত অতনুর খুব কঠিন প্রতিপক্ষ পড়ার সম্ভাবনা নেই। তাঁর সম্ভাব্য সেমিফাইনাল প্রতিদ্বন্দ্বী চতুর্থ বাছাই নেদারল্যান্ডসের সেফ ফান ডেন বার্গ। যিনি সাংহাইয়ে বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জিতেছিলেন। আর পরের রাউন্ডে (রাউন্ড অব ৬৪) দীপিকার সামনে জর্জিয়ার ক্রিস্টিনা এসেবুয়া (৪৫), বোম্বাইলার প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়ার লরেন্স বলদউফ (৪১) ও লক্ষ্মীরানির মুখোমুখি স্লোভাকিয়ার আলেক্সান্দ্রা লংগোভা (২২)।