প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে লজ্জাজনক ভাবে অলআউট হওয়ার পরে দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত লড়াই জো রুটদের। ৩৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে তিন উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান ইংল্যান্ডের। ৭৫ রানে অপরাজিত অধিনায়ক জো রুট। তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন বেন স্টোকস (২)।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড মুখ থুবড়ে পড়ার পরে কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জিওফ্রে বয়কট জো রুটদের ব্যাটিং নিয়ে তোপ দেগেছিলেন। বয়কট বলেছিলেন, ‘‘ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে কোনও পরিকল্পনা খুঁজে পেলাম না। মনে হচ্ছিল, ছেলেখেলা করতে এসেছে।’’

কিন্তু শনিবার ১৫ রানের মাথায় দুই ওপেনার জেসন রয় ও ররি বার্নস ফিরে যাওয়ার পরে দলকে ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বাঁচায় রুট ও কেকেআর তারকা জো ডেনলির জুটি। ১২৬ রান যোগ করেন তাঁরা। হাফসেঞ্চুরি করে ডেনলি ফিরে যাওয়ার পরে আক্রমণ বাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। পেসারদের বিশ্রাম দিয়ে ফিরিয়ে আনা হয় নেথান লায়নকে। রুট ও স্টোকসকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয় স্লিপ, সিলি পয়েন্ট ও ফরোয়ার্ড শর্ট লেগের ঘেরাটোপে। তবুও ইংল্যান্ড অধিনায়কের মূল্যবান উইকেটটি তুলতে ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়া। 

তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই হেডিংলের উইকেট ব্যাটসম্যানদের সাহায্য করতে শুরু করে। তার সদ্ব্যবহার করে দুরন্ত ইনিংস উপহার দেন মার্নাস লাবুশানে (৮০)। তাঁর ইনিংসের সুবাদেই বিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সফল টিম পেনের দল। এখও দু’দিন বাকি। চতুর্থ দিন থেকে উইকেটে বল ঘুরতে শুরু করবে। তখন লায়নই হয়ে উঠবেন পেনের প্রধান অস্ত্র। লায়নের পারফরম্যান্সের উপরেই নির্ভর করতে চলেছে ম্যাচের ভাগ্য। 

কিন্তু ইংল্যান্ড অধিনায়ককে এখনও স্বস্তি দিতে পারছে না তাদের ওপেনিং জুটি। বিশেষ করে জেসন রয় একেবারেই ব্যর্থ। অ্যাশেজে ছ’টি ইনিংস তিনি সুযোগ পেলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিরিশের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। এ দিনও তিনি ফিরে যান আট রান করে।