ব্যাঙ্ককে এশীয় বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের কবিন্দর সিংহ বিস্ত (৫৬ কেজি), অমিত ফঙ্গাল (৫২ কেজি) এবং সনিয়া চাহাল (৫৭ কেজি)।

কবিন্দর সেমিফাইনালে ওঠার পথে হারান কাজাখস্তানের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন কাইরাত ইয়েরালিয়েভকে। এই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড় জীবনে প্রথম পদক নিশ্চিত করলেন কবিন্দর। অমিতও হারান অলিম্পিক্স চ্যাম্পিয়ন হাসানবোয় দুসমাতভকে ৩-২ ফলে। ২০১৫ সালে এই প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন অমিত। কয়েক মাস আগেই প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দুসমাতভকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা জেতেন অমিত। তার আগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালেও উজবেকিস্তানের বক্সারের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছিল অমিতকে। সেখানে অবশ্য ভারতীয় বক্সার হেরে গিয়েছিলেন। 

মেয়েদের বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোজয়ী সনিয়া হারান দক্ষিণ কোরিয়ার জো সন হওয়া-কে। এ ছাড়া পুরুষদের বিভাগে শেষ চারে উঠেছেন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন দীপক সিংহ (৪৯ কেজি)। তাঁকে অবশ্য রিংয়ে নামতেই হয়নি। তাঁর প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানের রামিশ রহমানি চোটের কারণে ওয়াকওভার দেন দীপককে। তবে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয়ী লভলিনা বরগহাইন (৬৯ কেজি) হেরে গিয়েছেন। তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে দিয়েছেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তাইওয়ানের চেন নিয়েন-চিন।

এ দিন সবচেয়ে বেশি হইচই অবশ্য উঠল কবিন্দরের লড়াই নিয়ে। ফিনল্যান্ডে একটি প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে ব্যাঙ্ককে রিংয়ে নেমেছিলেন তিনি। কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে পাল্লা দিয়ে লড়ে গিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের বক্সার। প্রথম তিন মিনিটে অবশ্য বেশ কয়েক বার কবিন্দরকে ফাঁদে ফেলতে পেরেছিলেন ইয়েরালিয়েভ। তবে এর পরের দু’রাউন্ডে সেই সুযোগ আর দেননি কবিন্দর। এক টানা আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন ইয়েরালিয়েভ। সেটা দুরন্ত ভাবে প্রতিরোধ করেন কবিন্দর। ব্যর্থতার তালিকায় আছেন মেয়েদের বিভাগে সীমা পুনিয়াও (৮১ কেজি)। তিনি হারেন চিনের ইয়াং জিয়াওলির বিরুদ্ধে। ব্যর্থ রোহিত টোকাসও (৬৪ কেজি)।