পেপ গুয়ার্দিওলা একবার বলেছিলেন, ‘‘জুনিয়রদের বেশি প্রশংসা করলে সেটা ভয়ঙ্কর ভাবে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু কখনও কখনও নিজেকে সংবরণ করা যায় না। এই ছেলেটাকে তাই একজন ‘বিশেষ ফুটবলার’ বলতে বাধ্য হচ্ছি।’’

পেপের  কথার ‘এই ছেলেটার’ নাম ফিল ফডেন। আট বছর বয়স থেকে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি অ্যাকাডেমিতে ফুটবলের পাঠ নিয়েছেন। ভারতে অনূর্ধ্ব সতেরো বিশ্বকাপে সেরা ফুটবলার হয়ে পেয়েছিলেন সোনার বল। খেলেছিলেন কলকাতাতেও।  ফাইনালে জোড়া গোলও করেন। মূলত তাঁর জন্যই বিশ্বকাপ জেতে ইংল্যান্ড। লিয়োনেল মেসির মতোই বাঁ পায়ের প্লেয়ার। তবে খেলেন মাঝমাঠে। মেসির প্রাক্তন গুরু প্রতিভা চিনতে ভুল করেননি। সানন্দে সিনিয়র দলে জায়গা করে দিয়েছেন। শনিবার এতিহাদে তো টটেনহ্যামের মতো দলের বিরুদ্ধে প্রথম এগারোতেই খেলিয়ে দিলেন ফডেনকে।

খেলার পাঁচ মিনিটেই সের্খিয়ো আগুয়েরোর তৈরি করা বলে ঝাঁপিয়ে হেডে গোল করেন ফডেন। যে গোলের সৌজন্যে টটেনহ্যামের কাছে অ্যাওয়ে গোলে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেওয়ার টাটকা প্রতিশোধ নিল ম্যান সিটি। সেই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগেও ফের উঠে এল শীর্ষে। ৩৪ ম্যাচে পয়েন্ট ৮৬। সমান সংখ্যক ম্যাচে লিভারপুল সেখানে ৮৫। আপ্লুত গুয়ার্দিওলা বলেছেন, ‘‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ার পরেও ছেলেরা যে ভাবে জিতল তা অবিশ্বাস্য। এটুকু বলতে পারি যে প্রিমিয়ার লিগ এখনও ছন্দ ধরে রাখতে পারে, তা হলে টানা দ্বিতীয় বার খেতাব জেতা অসম্ভব কিছু নয়।’’