• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

আঙুল উঠছে কোচের দিকেই

Sports Authority of India
জবলপুরে জাতীয় জুনিয়র হকির কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পরে কোচের নির্দেশে যে খেলোয়াড়রা ন্যাড়া হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন সাইয়ের। ছবি: সংগৃহীত।

দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেওয়া মস্তক মুণ্ডন কাণ্ডের তদন্তে নেমে দলের কোচ পঙ্কজ আনন্দকে দোষী সাব্যস্ত করল সল্টলেকের স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শাখা। জানা গিয়েছে তারা যে রিপোর্ট দিল্লির সাই কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন তাতে লেখা হয়েছে, ‘‘কোচই খেলোয়াড়দের মাথা ন্যাড়া করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশ না মানলে পরের কোনও বাংলা দলে সুযোগ দেওয়া হবে না বলে হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। খেলোয়াড়েরা সেটাই একযোগে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।’’

সাই দু’দিনের মধ্যে তদন্ত করে সব তথ্য তাদের উচ্চ পর্যায়ে জানিয়ে দিলেও বাংলার হকি সংস্থার কর্তারা  বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখে দিলেন।  অভিযুক্ত কোচ এবং ম্যানেজার আলাউদ্দিনকে এ দিনই বি এইচএ-র তিন সদস্যের কমিটির সামনে ডাকা হয়েছিল। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সেই সভার পরে সংস্থার সচিবের পাশে বসে দুই সদস্য অলিম্পিয়ান গুরবক্স সিংহ এবং হকি কর্তা গোপীনাথ ঘোষ বলে দিলেন, ‘‘কোচ ও ম্যানেজারকে লিখিতভাবে তাদের বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে খেলোয়াড়দের কোচের মুখোমুখি বসানো হবে।’’ তবে কবে এ সব প্রক্রিয়া শেষ হবে তা জানানো হয়নি।  জবলপুরে জাতীয় জুনিয়র হকির কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পরে কোচের নির্দেশে যে খেলোয়াড়রা ন্যাড়া হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন সাইয়ের। ওই ১৩ জনই সাই কর্তৃপক্ষের কাছে কোচের বিরুদ্ধে চিঠি দিয়েছেন। 

গোপন রিপোর্টে কী লেখা আছে তা জানাতে না চাইলেও সাই ডিরেক্টর মনমিত সিংহ গোয়েন্ডি এ দিন বলে দিলেন, ‘‘তদন্তের রিপোর্ট সাই, রেল, বিওএকে পাঠিয়ে দিয়েছি। ভয়ঙ্কর এই ঘটনা সম্পর্কে সবার জানা দরকার।’’ জানা গিয়েছে এ দিন হকি সংস্থার তদন্ত কমিটির সামনে এসে  অভিযুক্ত ওই কোচ বলেছেন, ‘‘ছেলেদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য আমি ন্যাড়া হওয়ার কথা বলেছিলাম।’’ 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন