Advertisement
২৪ জুন ২০২৪
ইপিএল

মোরাতাদের দুরন্ত জয়, দু’নম্বরে উঠে এল চেলসি

হাতের কাছেই মজুত ছিল টাটকা পরিসংখ্যান। সংখ্যাতত্ত্বের সবকিছুই বলছিল, পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটির বিরুদ্ধে এগিয়েই শুরু করবে য়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল।

উল্লাস: ইপিএলে সাউদাম্পটনের বিরুদ্ধে গোল করার পরে চেলসির রস বার্কলের উচ্ছ্বাস। রবিবার। রয়টার্স

উল্লাস: ইপিএলে সাউদাম্পটনের বিরুদ্ধে গোল করার পরে চেলসির রস বার্কলের উচ্ছ্বাস। রবিবার। রয়টার্স

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:২৫
Share: Save:

সাউদাম্পটন ০ চেলসি ৩

ফুলহ্যাম ১ আর্সেনাল ৫

লিভারপুল ০ ম্যান সিটি ০

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রবিবার আরও তো ম্যাচ ছিল। চেলসি একপেশে ভাবে ৩-০ হারাল সাউদাম্পটনকে। আবার এডেন অ্যাজার গোল করলেন। গোল পেলেন রোজ বার্কলে, আলভারো মোরাতাও। এবং আর্সেন ওয়েঙ্গারের উত্তরসূরি উনাই এমেরির আর্সেনালের সামনে উড়ে গেল ফুলহ্যাম। আর্সেনাল জিতল ৫-১। দু’টি করে গোল আলেকজান্ডার লাকাজেতে এবং পিয়ের-এমেরিক আবুমেয়ংয়ের। অন্য গোলটি অ্যারন র‌্যামসের। আবুমেয়ং আর র‌্যামসে— দু’জনই পরিবর্ত হিসেবে নেমে গোল করলেন। দু’টি গোল তাঁদের পাস থেকেও হল। যা একটা নজির। কিন্তু এত কিছুর পরেও ফুটবলপ্রেমীদের চোখ ছিল একটা ম্যাচেই! লিভারপুল বনাম ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। কে ভেবেছিল, যে ম্যাচ নিয়ে এত চর্চা তার পরিণতি হবে ম্যাড়ম্যাড়ে ড্র!

হাতের কাছেই মজুত ছিল টাটকা পরিসংখ্যান। সংখ্যাতত্ত্বের সবকিছুই বলছিল, পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটির বিরুদ্ধে এগিয়েই শুরু করবে য়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল। বিশেষ করে খেলাটা অ্যানফিল্ডে ছিল বলে। সেখানে শেষ ১৭টি ম্যাচে সিটির বিরুদ্ধে অপরাজিত ‘দ্য রেডস’। শেষ বার অ্যানফিল্ডে এসে লিভারপুলকে ম্যান সিটি হারিয়েছিল ২০০৩ সালে। তার উপর গুয়ার্দিওলার ফুটবলাররা হালফিলে যতই ভাল খেলুন, ২০১৮ সালে তিনটি ম্যাচেই তাঁরা হেরেছেন মহম্মদ সালাহদের কাছে। বছরের শুরুতে ইপিএলে। এপ্রিলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দু’টি ম্যাচেই। অথচ ঘটনা হচ্ছে, রবিবার অ্যানফিল্ডে সত্যিই অন্য রকম কিছু হতে যাচ্ছিল। অ্যাওয়ে ম্যাচে লিভারপুলকে হারানোর স্বপ্নও হয়তো সত্যি হত সিটির। যদি না রিয়াদ মাহরেজ খেলার ৮৬ মিনিটে পেনাল্টি নষ্ট করতেন। দাভিদ সিলভার থ্রু ধরতে বিপক্ষ বক্সে পৌঁছে যাওয়া লেরয় সানেকে ফাউল করেন ভার্জিল ফান ডিক। রেফারি পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট করে যান মাহরেজ।

এমনিতে বলা হচ্ছিল, ইপিএলের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুলকে এগিয়ে রাখার আরও কারণ, বিশেষ এই ক্লাবটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ সের্খিয়ো আগুয়েরো। অ্যানফিল্ডে তো গোলই নেই তাঁর। রবিবারের পরেও তাঁর সংগ্রহ শূন্যই থাকল। অবশ্য প্রথমার্ধের ২০ মিনিটে একবার গোল করার অবস্থায় চলে এসেছিলেন। তাঁকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেন দেজান লভরেন। এক্ষেত্রে ম্যান সিটি প্রবল ভাবে পেনাল্টির দাবি তুলেছিল। রেফারি কর্ণপাত করেননি। ব্যর্থ অবশ্য লিভারপুলের মহম্মদ সালাও। পাঁচ মিনিটে জন স্টোনকে কাটিয়ে গোল করার অবস্থায় চলে এসেছিলেন ‘মিশরের মেসি’। কিন্তু তাঁর শট অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়। অথচ অতীতে সিটির বিরুদ্ধে তিনি দারুণ সফল। এ’বছরই তিনটি গোল করেছেন। দু’টি করিয়েছেনও। রবিবার এই একটা ঘটনা বাদ দিলে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ কিন্তু সিটিরই ছিল। জেতারই কথা তাদের। আর সেটা সত্যি হলে ক্লপের বিরুদ্ধে নিজের রেকর্ডটা একটু হলেও ভাল করতে পারতেন পেপ। ম্যানেজার ক্লপের ক্লাবের বিরুদ্ধে যত ম্যাচ (সাতটি) হেরেছেন ম্যান সিটির ম্যানেজার, তত অন্য ম্যানেজারের বিরুদ্ধে হারেননি। অবশ্য আপাতত লিগ টেবলে পেপের ম্যান সিটিই এগিয়ে। ২০ পয়েন্টে এখন তিনটি ক্লাব। ম্যান সিটি, চেলসি আর লিভারপুল। গোল পার্থক্যে সবার আগে আগুয়েরোরাই।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রবিবার আরও তো ম্যাচ ছিল। চেলসি একপেশে ভাবে ৩-০ হারাল সাউদাম্পটনকে। আবার এডেন অ্যাজার গোল করলেন। গোল পেলেন রোজ বার্কলে, আলভারো মোরাতাও। এবং আর্সেন ওয়েঙ্গারের উত্তরসূরি উনাই এমেরির আর্সেনালের সামনে উড়ে গেল ফুলহ্যাম। আর্সেনাল জিতল ৫-১। দু’টি করে গোল আলেকজান্ডার লাকাজেতে এবং পিয়ের-এমেরিক আবুমেয়ংয়ের। অন্য গোলটি অ্যারন র‌্যামসের। আবুমেয়ং আর র‌্যামসে— দু’জনই পরিবর্ত হিসেবে নেমে গোল করলেন। দু’টি গোল তাঁদের পাস থেকেও হল। যা একটা নজির। কিন্তু এত কিছুর পরেও ফুটবলপ্রেমীদের চোখ ছিল একটা ম্যাচেই! লিভারপুল বনাম ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। কে ভেবেছিল, যে ম্যাচ নিয়ে এত চর্চা তার পরিণতি হবে ম্যাড়ম্যাড়ে ড্র!

হাতের কাছেই মজুত ছিল টাটকা পরিসংখ্যান। সংখ্যাতত্ত্বের সবকিছুই বলছিল, পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটির বিরুদ্ধে এগিয়েই শুরু করবে য়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল। বিশেষ করে খেলাটা অ্যানফিল্ডে ছিল বলে। সেখানে শেষ ১৭টি ম্যাচে সিটির বিরুদ্ধে অপরাজিত ‘দ্য রেডস’। শেষ বার অ্যানফিল্ডে এসে লিভারপুলকে ম্যান সিটি হারিয়েছিল ২০০৩ সালে। তার উপর গুয়ার্দিওলার ফুটবলাররা হালফিলে যতই ভাল খেলুন, ২০১৮ সালে তিনটি ম্যাচেই তাঁরা হেরেছেন মহম্মদ সালাহদের কাছে। বছরের শুরুতে ইপিএলে। এপ্রিলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দু’টি ম্যাচেই। অথচ ঘটনা হচ্ছে, রবিবার অ্যানফিল্ডে সত্যিই অন্য রকম কিছু হতে যাচ্ছিল। অ্যাওয়ে ম্যাচে লিভারপুলকে হারানোর স্বপ্নও হয়তো সত্যি হত সিটির। যদি না রিয়াদ মাহরেজ খেলার ৮৬ মিনিটে পেনাল্টি নষ্ট করতেন। দাভিদ সিলভার থ্রু ধরতে বিপক্ষ বক্সে পৌঁছে যাওয়া লেরয় সানেকে ফাউল করেন ভার্জিল ফান ডিক। রেফারি পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট করে যান মাহরেজ।

এমনিতে বলা হচ্ছিল, ইপিএলের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুলকে এগিয়ে রাখার আরও কারণ, বিশেষ এই ক্লাবটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ সের্খিয়ো আগুয়েরো। অ্যানফিল্ডে তো গোলই নেই তাঁর। রবিবারের পরেও তাঁর সংগ্রহ শূন্যই থাকল। অবশ্য প্রথমার্ধের ২০ মিনিটে একবার গোল করার অবস্থায় চলে এসেছিলেন। তাঁকে বক্সের মধ্যে ফেলে দেন দেজান লভরেন। এক্ষেত্রে ম্যান সিটি প্রবল ভাবে পেনাল্টির দাবি তুলেছিল। রেফারি কর্ণপাত করেননি। ব্যর্থ অবশ্য লিভারপুলের মহম্মদ সালাও। পাঁচ মিনিটে জন স্টোনকে কাটিয়ে গোল করার অবস্থায় চলে এসেছিলেন ‘মিশরের মেসি’। কিন্তু তাঁর শট অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়। অথচ অতীতে সিটির বিরুদ্ধে তিনি দারুণ সফল। এ’বছরই তিনটি গোল করেছেন। দু’টি করিয়েছেনও। রবিবার এই একটা ঘটনা বাদ দিলে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ কিন্তু সিটিরই ছিল। জেতারই কথা তাদের। আর সেটা সত্যি হলে ক্লপের বিরুদ্ধে নিজের রেকর্ডটা একটু হলেও ভাল করতে পারতেন পেপ। ম্যানেজার ক্লপের ক্লাবের বিরুদ্ধে যত ম্যাচ (সাতটি) হেরেছেন ম্যান সিটির ম্যানেজার, তত অন্য ম্যানেজারের বিরুদ্ধে হারেননি। অবশ্য আপাতত লিগ টেবলে পেপের ম্যান সিটিই এগিয়ে। ২০ পয়েন্টে এখন তিনটি ক্লাব। ম্যান সিটি, চেলসি আর লিভারপুল। গোল পার্থক্যে সবার আগে আগুয়েরোরাই।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE