গণপ্রহার প্রতিরোধ বিল পাশে কোনও ‘অনিয়ম’ হয়নি। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের চাওয়া ব্যাখ্যার জবাবে এ কথাই জানিয়ে দিল বিধানসভা।

বিধানসভার সচিবের পাঠানো জবাবি চিঠিতে বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, রাজ্যপাল কিছু ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য পেয়েছেন। তার ভিত্তিতে এই বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও পরিষদীয় রীতি রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি নেই। বিরোধীরা অবশ্য বিলটি নিয়ে সরকারের উদাসীনতার অভিযোগে অনড়। বিরোধী শিবির সূত্রে খবর, প্রয়োজনে ওই বিলটি পাশের সময় কী আলোচনা হয়েছিল, তা-ও সবিস্তার রাজ্যপালকে জানাতে চায় তারা।

বিলটির বিষয়ে গত মঙ্গলবার রাজ্যপালের কাছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁদের অভিযোগ ছিল, বিধানসভায় একই নাম ও একই মেমো নম্বরের দু’টি বিল বিলি করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, ওই বিল দু’টির একটিতে অপরাধীদের প্রাণদণ্ডের কথা বলা হলেও অন্যটিতে তা ছিল না। কিন্তু বিরোধীদের সেই প্রশ্ন এড়িয়েই বিলটি পাশ করার পক্ষে সওয়াল করে শাসক শিবির। রাজ্যপালকে বিরোধীরা বিষয়টি জানানোর পরেই বিধানসভার সচিব অভিজিৎ সোমকে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান। বিধানসভার সচিবালয় সূত্রে খবর, রাজ্যপালকে পাঠানো চিঠিতে বিল পাশের প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের অংশগ্রহণের প্রমাণ হিসেবে তাঁদের সংশোধনীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন বলেন, ‘‘বিধানসভা নির্দিষ্ট নিয়মবিধি মেনে চলে। তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ কম।’’