ভাটপাড়ার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা চাইছে বিজেপি
দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে দাবিপত্র দেয়। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভাটপাড়া উপনির্বাচনে বোমা মেরে, সন্ত্রাস করে ভোটারদের একাংশকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
bhatpara

অশান্তি: কাঁকিনাড়া ২৯ নম্বর রেলগেটের কাছে জ্বলছে বাইক। মঙ্গলবার। নিজস্ব চিত্র

ভাটপাড়ার অশান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে সেনা বা আধা সেনা নামানোর জন্য রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকে আর্জি জানাল রাজ্য বিজেপি। একই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে রাজ্য দলের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইট করলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহকে গ্রেফতার করার আদেশ দিয়েছেন ব্যারাকপুরের সিপি সুনীল চৌধুরীকে। অর্জুনজির জীবন বিপন্ন। ওঁকে এনকাউন্টারে মারা হতে পারে। ওঁর কিছু হলে তার জন্য দায়ী হবেন মমতাজিই।’’ এই অভিযোগকে অবশ্য হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘কিছু মানুষ খুন-খারাপি নিয়েই থাকেন। আসলে নানা ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে। তাতে লাভ হবে না।’’

দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে দাবিপত্র দেয়। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভাটপাড়া উপনির্বাচনে বোমা মেরে, সন্ত্রাস করে ভোটারদের একাংশকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। জগদ্দল থানার পুলিশ অফিসারদের সামনেই সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা আক্রান্তদের সাহায্য করার বদলে দুষ্কৃতীদের মদত দিয়েছেন। অশান্তির জায়গা এড়িয়ে ভুল পথে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। গোষ্ঠী-সংঘর্ষের ফলে ভোটের পরেও পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। অনেক বাড়ি জ্বলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনকে নিশানা করে বোমা এবং পাথর ছোড়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সেনা বা আধা সেনা নামানো হোক।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

ভাটপাড়া-কাণ্ড নিয়ে অভিযোগ জানাতে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এ দিন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল টিমের কছে যান। পরে ইয়েচুরি বলেন, ‘‘রাজ্য প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। ভোট পর্ব সম্পূর্ণ হয়নি। তাই কমিশনকেই যা ব্যবস্থা নেওয়ার নিতে হবে।’’ আলাদা ভাবে বিজেপি ও বামেদের তোলা ওই অভিযোগের জবাবে পার্থবাবু বলেন, ‘‘মিলেমিশে ভোট লড়েও এখন বাম ও রাম নিশ্চিত যে তারা হারছে। ফলে নতুন করে সন্ত্রাস, হিংসা এবং রিগিংয়ের কথা বলতে শুরু করছেন দুই দলের নেতারা।’’

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত