রণক্ষেত্র কাঁকিনাড়া, রিপোর্ট তলব কমিশনের, বোমা পড়ল কলকাতাতেও
শেষ দফা নির্বাচনে রাজ্যে কোথায় কী পরিস্থিতি হল দেখে নিন
bhatpara

ভাটপাড়ায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন দমকল কর্মীরা। ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

রাজ্যে ভোটের হার

বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়ল ৭৩.০৫ শতাংশ। রাজ্যের অন্যত্র ভোটদানের পরিমাণ- দমদম ৭৩.০৫ শতাংশ, বারাসত ৭৪.৪১  শতাংশ, বসিরহাট ৭৭.৭৭শতাংশ, জয়নগর ৭৫.৮১ শতাংশ, মথুরাপুর ৭৮.৫২  শতাংশ, ডায়মন্ড হারবার ৭৭.৩১  শতাংশ, যাদবপুর ৭০.৯৭  শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণ ৬৭.০৯ শতাংশ, কলকাতা উত্তর ৬৭.১৮ শতাংশ। 

ভোট দিলেন মমতা

বিকেল ৪টে ২৩ মিনিট। ভবানীপুরে বুথে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে মমতা বললেন, ‘‘সিআরপিএফ যে ভাবে বিজেপির হয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তা এর আগে কখনও দেখিনি।’’

কাকলির ধর্না

বিকেল ৪টে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করছে এই অভিযোগে নিউটাউন থানায় ধর্নায় বসলেন তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। প্রায় ৪০ মিনিট বিক্ষোভ দেখানোর পর থানা ছাড়েন তিনি।

কাঁকিনাড়ায় রাস্তায় নেমেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নেমেছে র‌্যাফও। —নিজস্ব চিত্র।

উত্তপ্ত কাঁকিনাড়া

ভাটপাড়া উপনির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত কাঁকিনাড়া। দফায় দফায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নামানো হয়েছে র‌্যাফও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ।

কাঁকিনাড়ায় চলছে ব্যাপক বোমাবাজি। ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর অভিযোগ, বিজেপির মণ্ডল কমিটির নেতা তরুণ মণ্ডল দুষ্কৃতী এনে এগুলো করাচ্ছেন। মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের রায়দিঘিতেও ব্যাপক বোমাবাজি শুরু হয়েছে। কাঁকিনাড়া ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশনের। পৌঁছেছে কুইক রেসপন্স টিমও।

রাজ্যে ভোটের হার

বেলা ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়ল ৬৩.৬৬ শতাংশ। রাজ্যের অন্যত্র ভোটদানের পরিমাণ- দমদম ৬৫.২৪ শতাংশ, বারাসত ৬৫.৩৮  শতাংশ, বসিরহাট ৬৯.৮৯ শতাংশ, জয়নগর ৬৪.২১ শতাংশ, মথুরাপুর ৬৯.৩৯  শতাংশ, ডায়মন্ড হারবার ৬৩.৯৬  শতাংশ, যাদবপুর ৬০.৫৯  শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণ ৫৮.৬৬ শতাংশ, কলকাতা উত্তর ৫৪.৯৯ শতাংশ।

অনুপস্থিত বুদ্ধদেব

বেলা তিনটে। ভোট দিয়ে এলেন মীরা ভট্টাচার্য এবং সুচেতনা ভট্টাচার্য। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিকদের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘তিনি ভাল আছেন। তবে দেখছেন তো আসেননি।’’

ভোটারদের হুমকি

বেলা আড়াইটা। উত্তর কলকাতার বিনানী ভবনে ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। ভাঙ্গড়ের কৃষ্ণ মাঠ এলাকার একটি বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছিল। এক নির্দল প্রার্থীর এজেন্টকে চিহ্নিত করে বের করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: এনডিএ-বিরোধী সুর! বুথফেরত সমীক্ষার আগে নীতীশের মন্তব্যে জল্পনা

বেলা ২টো। কসবার ৬৮, ৬৯ এবং ৭০ নম্বর বুথে তৃণমূল এজেন্টের বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। বিজেপির তরফ থেকে এই অভিযোগে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতাতে তৃণমূল কংগ্রেস এর ক্যাম্প ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।

রাজ্যে ভোটদানের হার

সকাল ১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়ল ৪৯.৭৭ শতাংশ। রাজ্যের অন্যত্র ভোটদানের পরিমাণ- দমদম ৪৯.৩১ শতাংশ, বারাসত ৫৩.৫৯  শতাংশ, বসিরহাট ৫৪.১১ শতাংশ, জয়নগর ৪৮.৬৪ শতাংশ, মথুরাপুর ৫.৭৮  শতাংশ, ডায়মন্ড হারবার ৫২.৪৪  শতাংশ, যাদবপুর ৪৮.০৯  শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণ ৪৩.৮০ শতাংশ, কলকাতা উত্তর ৪৩.৬৮ শতাংশ। 

কাঁকিনাড়ার একটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসা মদন মিত্রের। ছবি: টুইটার।

ভোট প্রভাবিত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী!

শাসনে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটারদের বিজেপি প্রতীকে ভোট দেওয়ার কথা বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। এর পরই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সঙ্গে বচসা বাধে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের।

আক্রান্ত কুইক রেসপন্স টিম

তৃণমূলের মদতে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বারাসতের শাসনে আক্রান্ত কুইক রেসপন্স টিম। কুইক রেসপন্স টিমকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী ভোট দিতে বলে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল তারা।

অন্যদিকে, দেগঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূল কর্মীদের হেনস্থা করছে এবং ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, অভিযোগ তাঁর।

দরজা দিয়ে দেখা যাচ্ছে ভোট

বসিরহাট দক্ষিণের একটা বুথে ভোটদান কক্ষ এমন ভাবে বানানো, যাতে দরজা দিয়ে দেখা যাচ্ছে কে কোন বোতাম টিপছেন। খবর পেয়ে ওই বুথে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু। তিনি প্রতিবাদ করায় টেবিল ঘুরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রিসাইডিং অফিসার।

বুথে রিগিং

বেলা ১টা। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৫২টি বুথে রিগিংয়ের অভিযোগ জানানেল যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা। অভিযোগ তৃণমূল বিরুদ্ধে। শিয়ালদহ ভিক্টোরিয়া কলেজে বুথ দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

এজেন্টকে বুথে ফেরালেন রাহুল সিংহ

বেলেঘাটায় বিজেপি এজেন্টকে মারধর করে বুথ থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ওই বুথে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিংহ। বিজেপি এজেন্টকে ফের বুথের ভিতরে ঢোকেন তিনি। প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ফের বুথের ভিতরে বসিয়ে দেন তিনি।

বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর, অবস্থান বিক্ষোভ সায়ন্তন বসুর

বেলা ১২টায় বসিরহাটে বিজেপির বুথ ক্যাম্প অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। খবর পেয়ে এর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু। বসিরহাটের ট্যাটরায় অবস্থান শুরু করেছেন তিনি। ১৭৫ নম্বর বুথের সামনে অবৈধ জমায়েত হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। সেই জমায়েত না সরা পর্যন্ত এলাকা ছাড়বেন না, জানিয়েছেন সায়ন্তন বসু।

ভাঙচুর চালানো হয়েছে বিজেপির ক্যাম্প অফিসে। ছবি: মৃণালকান্তি হালদার।

রাজনৈতিক সৌজন্য

বুথে বুথে তদারকির করার সময় মুখোমুখি হন সিপিআই প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্ত এবং বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু। দু’জনেই একে অপরের প্রতি সৌজন্য দেখান। সায়ন্তন বসু বলেন, ‘‘গণতন্ত্র রক্ষায় প্রয়োজন যেমন রয়েছে, তেমন রাজনৈতিক সৌজন্যেরও প্রয়োজন। এর মধ্যে বেশি কিছু খুঁজতে যাবেন না।’’

পল্লব সেনগুপ্তের সঙ্গে সায়ন্তন বসু। ছবি: মৃণালকান্তি হালদার।

বাবুলকে ঘিরে বিক্ষোভ

বেলা ১২টা। জোড়াসাঁকোয় বাবুল সুপ্রিয় পৌঁছলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা।

তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর

বেলা সাড়ে ১১টা। কামারহাটিতে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ এবং ২৪ নম্বর বুথে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের ওই ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর করেছে।

ভাঙচুর চালানো হয়েছে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিসে। ছবি: মৃণালকান্তি হালদার।

বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, হেনস্থা অনুপম হাজরাকে

ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়ের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল বজবজে। বেলা ১২টা নাগাদ বজবজে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে মুকুন্দপুরে বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। যাদবপুরে বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন তাঁরা।

যাদবপুরের ৫২ নম্বর বুথে বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর। —নিজস্ব চিত্র।

রাজ্যে ভোটদানের হার

সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছে ৩২.১৫ শতাংশ। রাজ্যের অন্যত্র ভোটদানের পরিমাণ- দমদম ৩৪.১০ শতাংশ, বারাসত ৩৬.৯৪  শতাংশ, বসিরহাট ৩৩.৯৬ শতাংশ, জয়নগর ২৯.৬ শতাংশ, মথুরাপুর ৩৪.৯  শতাংশ, ডায়মন্ড হারবার ৩৪.৪  শতাংশ, যাদবপুর ৩১.৫৯  শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণ ২৭।৬৯ শতাংশ, কলকাতা উত্তর ২৫.৪১ শতাংশ। 

রবীন্দ্র সরণিতে বোমাবাজি

সাড়ে ১১টা নাগাদ রবীন্দ্র সরণির একটি বুথের বাইরে বাইকে করে দুষ্কৃতীরা এসে বোমা মেরে পালিয়ে যায়। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই বোমাবাজি করেছে বলে বিজেপির অভিযোগ। বেলা ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিংহ। তিনি বলেন, ‘‘ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে এটাই তৃণমূলের ভয়ের কারণ। সে কারণেই এই বোমাবাজি।’’

ছাপ্পার অভিযোগ

যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের রানিগাছিতে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। কসবার ৭৩ নম্বর বুথ জ্যামের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

 

দেগঙ্গায় বোমাবাজি

দেগঙ্গার গিলাবেড়িয়ার ৬৬ এবং ৬৭ নম্বর বুথে বোমাবাজি। দুষ্কৃতীরা বাইক ফেলে পালিয়ে যায়। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

অন্যদিকে ঘোলা হাইস্কুলে সিআইএসএফ এবং প্রিসাইডিং অফিসার বিজেপির এজেন্টকে বার করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির ওই এজেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই কেন্দ্রের ভোটার নন।

রাজ্যে ভোটদানের হার

সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়ল ১৪.১৭ শতাংশ। রাজ্যের অন্যত্র ভোটদানের পরিমাণ- দমদম ১৬.৫৭ শতাংশ, বারাসত ১৪.৭৮ শতাংশ, বসিরহাট ১৫.৬৭ শতাংশ, জয়নগর ১১.৪৩ শতাংশ, মথুরাপুর ১৫.৬৮ শতাংশ, ডায়মন্ড হারবার ১৩.৩২ শতাংশ, যাদবপুর ১৭.১১ শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণ ১১.৯২ শতাংশ, কলকাতা উত্তর ১১.০৮ শতাংশ। 

ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগ

উস্তিতে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজরামপুর অঞ্চলে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ৭ নম্বর বুথে ভোটাররা বুথ থেকে বেরনোর পরই আঙুল শুঁকে দেখছে, শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এমনটাই। 

বাধা ভোট কেন্দ্রে

কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী মালা রায়কে তাঁর নিজের ভোটাধিকার কেন্দ্রে ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া ঢুকতে দিল না কেন্দ্রীয় বাহিনী।

 

নারী শক্তি

মগরাহাট পশ্চিম লক্ষ্মীকান্তপুর অঞ্চলের ২২২ নম্বর বুথ মহিলাদের প্রতিরোধে বুথ দখলে ব্যর্থ তৃণমূল, অভিযোগ বিরোধীদের। ঝাঁটা ও লাঠি হাতে মেয়েদের প্রতিরোধ।

প্রিসাইডিং অফিসারকে হেনস্থা

কেষ্টপুরের একটি বুথে একাধিক ইভিএম বিকল। অশান্তি ইভিএম বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে। প্রিসাইডিং অফিসারকে হেনস্থার অভিযোগ

 

নিউটাউনে বোমা উদ্ধার

নিউটাউন বালিগুড়িতে একটি জঙ্গলে দুটি রঙের বালতি পরে ছিল, তাতে বোমা আছে, অভিযোগ আসে সকালেই।ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।পৌঁছয় বিধান নগর পুলিশের বম্ব স্কোয়াড।

 

বুথ দখলের অভিযোগ

ছিট কালিকাপুর প্রাইমারি স্কুল, বুথ নং.১০৪-১১০-এ তৃণমূল কর্মীরা  সিপিএমের এজেন্টদের বার করে দিয়ে, সামনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়াচ্ছে, অভিযোগ। বারুইপুরের একাংশে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ।  অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।বসিরহাটের মিনাখাঁয় বুথ দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

তিলজলায় সংঘর্ষ

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। মাথা ফাটল বিজেপি সমর্থকের। উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিংহকে ঘিরে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা।

বোমাবাজির অভিযোগ

রায়দিঘির সাতপুকুরে দফায় দফায় বোমাবাজির অভিযোগ, বোমাবাজির অভিযোগ মথুরাপুরেও। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

উত্তর কলকাতায় বেলগাছিয়ায় সিপিএম এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ

অশান্তি ছড়াল বেলগাছিয়ায়। দু’জন সিপিএম এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ। হাসপাতালে ভর্তি হলেন এক জন। আর জি কর হাসপাতলের সামনে এজেন্ট বের করার প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ প্রার্থী কণীনিকা ঘোষ বোসের। পরে অবস্থান তুলে নেন তিনি।

রাজারহাট বিজেপি ক্যাম্প অফিসে আগুন লাগানোর অভিযোগ

অশান্তি ছড়াল রাজারহাটে। নিউটাউনের কদমপুর এলাকার ২০১ নম্বর বুথে দুষ্কৃতীরা বুথের কাছে শনিবার রাতে বিজেপির ক্যাম্প অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। 

ক্যাম্প অফিসে পুড়ল পতাকা। —নিজস্ব চিত্র।

গুলি, বোমা, দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাটপাড়া

শেষ দফার আগেই অশান্তি ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। শনিবার রাতে তৃণমূল-বিজেপির দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। গুলি, বোমা চলে। কাঁকিনাড়ার কাছে আর্য মোড়ে পর পর কয়েকটি গাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয়বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয় গোটা এলাকায়। 

ক্যাম্পে আগুন লাগার পর বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ রাজারহাটে। —নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূলের অভিযোগ, অর্জুন সিংহ বহিরাগতদের নিয়ে এসে এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। তাঁর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পাল্টা অভিযোগ এনেছেন অর্জুন। আজ, রবিবার ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহের ছেলে পবন সিংহ।

ভাঙড়ে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে জখম তৃণমূল কর্মী 

ভাঙড়ের গাজিপাড়ায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে জখম হন এক ব্যক্তি। শনিবার রাতের ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, জখম ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী। 

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর সূত্রে খবর, ৯ কেন্দ্রের ১৭ হাজারেরও বেশি বুথে মোট ৭১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। তার ফলে ১০০ শতাংশ বুথে জওয়ান থাকবে। কুইক রেসপন্স টিম-এর সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৬১ করা হয়েছে। প্রতিটি দলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে এক জন সহকারী কমান্ডেন্টের হাতে। রাস্তা চেনানোর জন্য ওই টিমে থাকবেন রাজ্য পুলিশের এক জন কনস্টেবলও। যে কোনও উপায়ে হোক, গোলমালের জায়গায় ৭ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর নির্দেশ গিয়েছে। ঘটনাস্থল দূরে হলে ১৫ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া যাবে না।

ষষ্ঠ দফায় কিউআরটি-তে রাজ্যের কোনও পুলিশকর্মী ছিলেন না। রাস্তা না-চেনা, স্থানীয় ভাষা না-জানার কারণে সঠিক সময় পৌঁছতে পারেনি উদ্ধারকারী দল। তা নিয়ে যেমন বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল কমিশনকে, তেমনই রাজ্য সরকারের তরফেও নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়। সে কথা মাথায় রেখেই এ বার কিউআরটি-তে রাজ্যের পুলিশকর্মীকে রাখা হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ এলাকায় ১৭৮টি কিউআরটি নজরদারি চালাবে। এ ছাড়াও থাকছে পর্যাপ্ত ফ্লাইং স্কোয়াড, রেসপন্স টিম।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর কলকাতা কেন্দ্রের কাশীপুর, বেলগাছিয়া, বেলেঘাটা, এন্টালিতে  রাখা হচ্ছে বিশেষ নজর। নজরে রাখা হচ্ছে দমদম কেন্দ্রের বরাহনগর, রাজারহাট-গোপালপুরে। যাদবপুরের ভাঙড়, বারুইপুরেও গোলমাল রুখতে প্রস্তুত কমিশন। বসিরহাট কেন্দ্র সব থেকে উত্তেজনাপ্রবণ। এখানে হাড়োয়া, বাদুড়িয়ার দিকে কড়া নজর রাখছে কমিশন। সেই তালিকায় থাকছে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের মেটিয়াবুরুজ, মহেশতলা। বজবজ দিকেও থাকছে ঝামেলার আশঙ্কা।

নির্বাচনী অশান্তি ছাড়াও আবহাওয়ার বিষয়টিও চিন্তায় রাখছে কমিশনকে। কারণ, সকাল থেকে গরমের সঙ্গে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও, এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। বৃষ্টিরও কোনও পূ্র্বাভাস নেই, তাই গলদঘর্ম অবস্থাতেই কাটাবেন নিরাপত্তারক্ষী এবং ভোটকর্মীরা, এমনটাই আশঙ্কা কমিশনের।

(পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেবাংলায় খবরজানতে পড়ুন আমাদেররাজ্যবিভাগ।)

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত