অস্ত্র কারখানার হদিস মেলার দ্বিতীয় দিনে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার ভি সলোমন নেসাকুমার। শনিবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ আধিকারিকদের একটি দল। হলদিয়ার ব্রজলালচকের বাসিন্দা মদনকুমার মাঝি ওই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেখানে লেদ কারখানা করা হবে বলে জানানো হয়েছিল বাড়ির মালিককে। 

শুক্রবার হলদিয়ার ভাগ্যবন্তপুরে একটি লেদ কারখানায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সেখান থেকে একশোটি অর্ধ সমাপ্ত সেভেন এমএম পিস্তল, লেদের মেশিন এবং কিছু আনুষঙ্গিকজিনিস বাজেয়াপ্ত করেছিল এসটিএফ। শনিবার অবশ্য কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের কোনও দল তদন্তে আসেনি। এদিন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে দলটি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। কারখানাটির চারপাশে ঘুরে দেখেন আধিকারিকেরা। দিন হলদিয়ার গিরীশ মোড়ের বাসিন্দা তথা বাড়ির মালিক সমর মণ্ডল বলেন, ‘‘মাসিক সাত হাজার টাকার বিনিময়ে বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত ভাড়া প্রতি মাসে মিটিয়ে দেওয়া হত।’’ ওই বাড়িতে যারা কাজ করার জন্য এসেছিল তারা সকলে বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। 

গত ১৩ জানুয়ারি কলকাতার নারকেলডাঙায় বেআইনি অস্ত্র এবং জাল নোট-সহ এসটিএফ-এর হাতে ধরা পড়েছিল ছয় যুবক। তাদের জেরা করেই ভাগ্যবন্তপুরের বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছিল এসটিএফ।