রেলিং ভেঙে গাড়ি নীচে পড়ে যাওয়া ঠেকাতে সেতুতে ‘ক্র্যাশ বেরিয়ার’ তৈরির সিদ্ধান্ত আপাতত বন্ধ রাখল পূর্ত দফতর। দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগে সেতুগুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। যে সব সেতু ‘ক্র্যাশ বেরিয়ারের’ ভার নিতে পারবে না, সেখানে তা তৈরি হবে না। পূর্ত দফতর থেকে এখনও লিখিত সরকারি নির্দেশ জারি করা না হলেও মৌখিক ভাবে সব বিভাগের কর্তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য জুড়ে প্রায় সমস্ত সেতুতেই ‘ক্র্যাশ বেরিয়ার’ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিল পূর্ত দফতর। পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের একাংশের মতে, মাঝেরহাট উড়ালপুল ভেঙে পড়ার পরে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না পূর্ত দফতর। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের সব সেতুর অবস্থা কেমন, তা আগে পরীক্ষা করা হবে। সেই কাজ ইতিমধ্যেই জেলার পূর্ত কর্তারা শুরু করেছেন। সেই স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরে ‘ক্র্যাশ বেরিয়ার’ করা যাবে কিনা, তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্টোডাঙা সেতুর রেলিং ভেঙে গাড়ি খাদে পড়ে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ত দফতরকে নির্দেশ দেন, সব সেতুর দু’দিকে রেলিং এর আগে ‘ক্র্যাশ বেরিয়ার’ তৈরি করতে হবে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ে ধাক্কা মারার আগে ওই ‘ক্র্যাশ বেরিয়ারে’ ধাক্কা মারলে গাড়ি নীচে পড়বে না। ক্ষয়ক্ষতিও কম হবে।

সুকান্ত সেতুর এক দিকে ‘ক্র্যাশ বেরিয়ারে’র কাজ শুরু হয়েছিল। পূর্ত দফতরের এক ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, ‘‘ক্র্যাশ বেরিয়ারগুলি তৈরি হচ্ছিল কংক্রিটের। বেশ শক্তপোক্ত ভাবেই তৈরি করা হচ্ছিল। আপাতত ওই কাজও বন্ধ রাখা হবে।’’