তিন দিন ধরে চলা তাপপ্রবাহের মধ্যে অবশেষে আচমকাই কিছুটা স্বস্তি এবং সঙ্গে আশা নিয়ে অপেক্ষা।

মঙ্গলবার জামাইষষ্ঠীর সকালটাও শুরু হয়েছিল তীব্র দাবদাহ দিয়েই। আরও আটচল্লিশ ঘণ্টা এই তাপপ্রবাহ চলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় শহর ও শহরতলির একাধিক স্কুলেও।

তার মধ্যেই দুপুরবেলা কিছুটা আশার কথা শোনায় আবহাওয়া অফিস। কলকাতা ও শহরতলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভবনার কথা বলে হাওয়া অফিস। সেই পূর্বাভাস ঘোষণার কিছু ক্ষণ পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা থেকে বৃষ্টির খবর আসতে থাকে। কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় সূর্যের আগুনে হল্কা ঢেকে দিতে থাকে বাদল মেঘ।

জামাইষষ্ঠীর খাওয়া দাওয়ার মাঝেই একে অপরকে ফোন করে খবরাখবর নেওয়া শুরু করেন বৃষ্টি হচ্ছে কি না?

শহর ও জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে বৃষ্টির খবর পেয়ে আশার আলো দেখেন শহরবাসীও। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মৌসুমী বায়ু আচমকাই শক্তি সঞ্চয় করায় বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমান বেড়ে গিয়েছে। সেই জলীয়বাষ্পের জেরেই স্থানীয় বৃষ্টিপাত হয়েছে কিছু জায়গায়। সেই বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে কলকাতা ও শহরতলিতেও।

আরও পড়ুন: আষাঢ়ে তাপপ্রবাহ! স্কুলগুলিতে বাড়তি ছুটি ঘোষণা সরকারের

আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের মর্জি বদলাবে কি স্কুলের ছুটিও

তবে বৃষ্টি থামলেই ফের অস্বস্তি বেড়ে যাবে বলে ধারণা আবহাওয়াবিদদের। তাঁদের অনুমান, বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি এলেও গরম থাকবে। তবে গত কয়েক দিনের মতো শুকনো গরম হাওয়ার বদলে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।

আবহাওয়াবিদরা বিশেষ আশার কথা না শোনালেও মানুষ আশায় বুক বাঁধছেন। হোক না সাময়িক স্বস্তি। তাই বা এই দাবদাহে খারাপ কি?