কিছু দিন আগে বিধানসভাতেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু বিষয় তুলেছিলেন তিনি। বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী এ বার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানালেন, ওই বিশ্ববিদ্যালয় যথাযথ ভাবে চলছে না।

চিঠিতে সুজনবাবু লিখেছেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে যে-ভয়ঙ্কর অবস্থা চলছে, তাকে শুধু মাত্র ত্রুটি বলে মনে করলে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হবে।’ সুজনবাবু শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছেন, দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয় চলছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অস্থায়ী ভাবে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে। তাঁর অভিযোগ, চলতি বছরের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের র‌্যাঙ্কিংয়ে (এনআইআরএফ) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যে-সব তথ্য দিয়েছে, তার ভিত্তি, এমনকি সেগুলি সম্পূর্ণ ঠিক কি না, সেই বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন মহলে। এতে শুধু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সামগ্রিক ভাবে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থারও মর্যাদাহানি ঘটেছে।

কয়েক বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের তছরুপের অভিযোগে তৎকালীন ফিনান্স অফিসার হরিসাধন ঘোষকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। উচ্চ আদালত অন্তর্বর্তী আদেশে মন্তব্য করেছে, হরিসাধনবাবু তছরুপ করেননি। বিষয়টি অডিটর জেনারেলকে দিয়ে খতিয়ে দেখা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়-কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করেন বলে শিক্ষামন্ত্রীকে জানান সুজনবাবু। তাঁর বক্তব্য, বিভিন্ন মহল থেকে এই বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়-কর্তৃপক্ষ সেই দাবিতে কর্ণপাত করেননি।