• নিজস্ব সংবাদদাতা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

কবির মুখোশে প্রতিবাদ, সত্যাগ্রহের ডাকও

protest
মাঠ ঘিরে দেওয়ার প্রতিবাদে কমিটির মিছিল। ছবি: বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী

মেলার মাঠ ঘেরার বিরোধিতা করে আন্দোলন চলল গাঁধীজয়ন্তীতেও। পৌষমেলার মাঠ বাঁচাও কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার রবীন্দ্রনাথের মুখোশ পরে বড় মিছিল হয়। আর আশ্রমিক ও আবাসিকদের একাংশ রতনপল্লির একটি উঁচু পাঁচিলের সামনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পাশাপাশি গাঁধীর জন্মদিনকে সামনে রেখে সত্যাগ্রহের ডাক দেন।

এ দিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ রতনপল্লির ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আশ্রমিক শর্মিলা রায় পোমো, সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিদিশা ঘোষ, আইনজীবী শৈলেন মিশ্র সহ অনেকে। তাঁদের অভিযোগ, শান্তিনিকেতনের আন্তরিকতা ও সৌভাতৃত্বের মাঝেই আসলে পাঁচিল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সুবীরবাবু বলেন, “গত কয়েক দশকে লাগাতার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বিশ্বভারতীকেও আর পাঁচটা কংক্রিটের জঙ্গলে ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার।” এ দিন রবীন্দ্রসঙ্গীত, পাঠ ও পুরনো শান্তিনিকেতনের স্মৃতিচারণের মাধ্যমেই প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়। 

এ দিকে, মেলার মাঠ ঘেরার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নানা পন্থায় আন্দোলন করছে মাঠ বাঁচাও কমিটি। শুক্রবার, আন্দোলনের তৃতীয় দিনে কয়েক’শো জনের মিছিল হয়। মিছিলে পা মেলানো প্রত্যেকের মুখ ছিল মুখোশে ঢাকা। আর সেই মুখোশে চিত্রিত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পুরুষদের পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবি। মেয়েদের মাথায় ছিল সাদা ওড়না। আয়োজকদের পক্ষে সুনীল সিংহের কথায়, “রবীন্দ্রনাথ আদর্শেরও নাম। রবীন্দ্রনাথের মুখোশ পরে মিছিলের মধ্য দিয়ে আমরা বোঝাতে চেয়েছি যে আমরাও সেই আদর্শকে সম্বল করেই প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছি।” মিছিল ভুবনডাঙা প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে বোলপুর চিত্রা মোড় পর্যন্ত পৌঁছে সেখান থেকে আবার প্রতিবাদ মঞ্চ ফিরে আসে। মিছিলের ফলে বেশ কিছু সময় যান চলাচলে সমস্যা হয় বোলপুর চিত্রা মোড় ও লজ মোড় সংলগ্ন এলাকায়। ভিড় জমে মিছিল দেখতেও। প্রতিবাদ মঞ্চে হয় লোকনৃত্য ‘মুখোশ নাচ’। 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন