আট সাল বাদ! তিনি আবার পরদায়।

তিনি জাভেদ আখতার। শেষবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল মধুঋতা আনন্দের ছবি ‘মেরে খোয়াবোঁ মে জো আয়ে’-তে। এবারে তিনি আসছেন এক অধ্যক্ষর চরিত্রে, ‘সাদাত হাসান মান্টো’র বায়োপিক-এ। মান্টো, যাঁকে অনেকে বলে থাকেন দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ছোট গল্পকারদের একজন। সাহিত্যজীবনের শুরুতে অস্কার ওয়াইল্ড, ভিক্টর হুগো, আন্তন চেকভ, ম্যাক্সিম গোর্কিদের রচনা অনুবাদ করতেন। গল্প লিখতে এসেই চমকে দেন, জালিনওয়ালাবাগের ওপর কাহিনি লিখে। মাত্র ৪২ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তাঁর। ব্রিটিশ-যুগে তিনবার, এমনকী স্বাধীনতা-উত্তরকালেও তিনবার মান্টোকে অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। যদিও কোনও বারই তাঁকে দোষী প্রমাণ করা যায়নি। কিন্তু এই অভিযোগ তাঁর জীবনে ডেকে আনে এক ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা। 

সাদাতের সেই খারাপ সময়ে এক কলেজ-অধ্যক্ষ ছিলেন তাঁর পাশে। শোনা যাচ্ছে, ছবিতে আদালতের সওয়াল দৃশ্যে জাভেদ আখতারকে অভিনয় করতে দেখা যাবে সেই চরিত্রেই। শাবানা আজমি সদ্য নার্গিস-জননী ‘জদ্দনবাঈ’-এর ভূমিকায় অভিনয় করতে রাজি হওয়ার পর পরই একই পরিবার থেকে আরও একটি চমক উপহার পেল বলিউড। সৌজন্যে চিত্র পরিচালক নন্দিতা দাশ-এর ছবি ‘মান্টো’।