Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০২ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

বাংলায় হতে হবে ‘বাঙালি’, দাবি উঠল বিজেপিতেই

এত দিন পশ্চিমবঙ্গে বিরোধীরা বিজেপিকে কটাক্ষ করত ‘হিন্দি বলয়ের দল’ বলে। বা ‘হিন্দিভাষীদের দল’। এ বার বিজেপির অন্দরেই জোরালো ভাবে উঠে এসেছে সে

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৭ অক্টোবর ২০১৮ ০৪:৩০
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Popup Close

‘বাঙালি’ হয়ে উঠতে না পারলে এ রাজ্যে বিজেপির ভবিষ্যৎ নেই। দলীয় বৈঠকে এ ভাবেই সমালোচনা করলেন বিজেপির ‘বিদ্বজ্জনেরা’। তাঁরা বললেন, বাঙালি অস্মিতাকে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই এ রাজ্যে শাসক হওয়ার মতো জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারছে না বিজেপি। ঠিক সেটা করেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত জনপ্রিয়!

বিজেপির রাজ্য দফতরে গত সোমবার দলের ‘বিদ্বজ্জন’দের নিয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ, রাজ্যে দলের কেন্দ্রীয় সহ পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ। দলীয় সূত্রের খবর, সেখানেই এক বিদ্বজ্জন বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা যে পোশাক পরে এ রাজ্যে প্রচারে বেরোন, সেগুলি উত্তর ভারতের পক্ষে উপযুক্ত। কিন্তু বাঙালির মন পেতে হলে বাঙালির পোশাক পরা উচিত। প্রয়োজনে ধুতি পরার কথাও বলেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য ছিল, নিরামিষ খাওয়ার পক্ষে গেরুয়া শিবিরের যে প্রচার, তা-ও বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের বিরোধী। মাছ-ভাত খাওয়া ছাড়ার কথা বাঙালি ভাবতেই পারে না। সম্প্রতি সঙ্ঘ পরিবারের একাংশ ভোজ্য তেলের বিজ্ঞাপনে মাছ ভাজার দৃশ্য নিয়ে আপত্তি করেছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, নবরাত্রির সময়ে ওই বিজ্ঞাপন নিরামিষাশী মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে। ওই প্রসঙ্গ তুলেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই বিদ্বজ্জন নেতা। তিনি বলেন, এই সব আচরণ বাঙালিকে বিজেপির থেকে আরও দূরে ঠেলে দেবে।

এত দিন পশ্চিমবঙ্গে বিরোধীরা বিজেপিকে কটাক্ষ করত ‘হিন্দি বলয়ের দল’ বলে। বা ‘হিন্দিভাষীদের দল’। এ বার বিজেপির অন্দরেই জোরালো ভাবে উঠে এসেছে সেই অভিযোগ। দলীয় সূত্রের খবর, ওই বৈঠকেই এক প্রাক্তন আইএএস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাঙালির মধ্যে যোগ্য ব্যক্তির অভাব নেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উঁচু পদগুলিতে কখনও এ রাজ্যের কোনও বাঙালিকে বসানো হয় না। ওই দিন ওই বৈঠকের পরেই তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে কোনও কোনও কর্মী কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ‘উগ্র’ ভাষা ব্যবহার নিয়ে।

Advertisement

দু’টি বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন অনির্বাণবাবু। এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘ওই বৈঠক দু’টিতে আমাদের দলের কিছু কিছু রণকৌশল ঠিক করা হয়েছে। তা সংবাদমাধ্যমে বলার বিষয় নয়। তবে আগামী দিনে আমরা দ্বিগুণ গতিতে এগিয়ে যাব, এটা নিশ্চিত।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement