ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় দু'লক্ষ টাকা সাইবার জালিয়াতির অভিযোগ উঠল এগরা। প্রতারিত ব্যক্তি এগরার জামগা গ্রামের বাসিন্দা সুভাষচন্দ্র দাস সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানিয়েছেন।
সুভাষচন্দ্র পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি তাঁর ঋণের প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, তাঁকে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করেন। ফোনে এভাবে কথা বলতে প্রথমে রাজি না হলেও জালিয়াতরা সুভাষচন্দ্রকে অনলাইনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে দ্রুত ঋণ পাওয়ার প্রলোভন দেখায়। সুভাষচন্দ্র জানাচ্ছেন, অনলাইনে কাগজপত্র দিয়ে দ্রুত ঋণ পাওয়ার বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। তিনি প্রতারকের কথা মতো কাগজপত্র প্রস্তুতির ফি বাবদ প্রথমে সাড়ে তিন হাজার টাকা একটি নিদির্ষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠান। অভিযোগ, এর পরে ধাপে ধাপে সুভাষের কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ ৯০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।
প্রতারিত হচ্ছেন বুঝতে পেরে এর পরে এগরা থানায় দ্বারস্থ হন সুভাষচন্দ্র। গত ২৬ এপ্রিল তমলুক সাইবার ক্রাইম থানার প্রতারকদের একাধিক মোবাইল নম্বর এবং টাকা লেনদেনের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সুভাষচন্দ্র বলেন, ‘‘অনলাইনে কাগজ পত্র জমা দিয়ে দ্রুত ঋণ পাওয়া কথা বলায় বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলাম। পরে বুঝতে পারি জালিয়াতির শিকার হয়েছি। সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’’ তমলুক সাইবার ক্রাইম থানা জানিয়েছে, ওই অভিযোগ ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)