রায়ত জমির পাট্টা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পাট্টা দিলে তো জমি-বাড়ি কেনাবেচা করা যাবে না। তাই উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামের প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলে গিয়েছেন, ‘‘ঝাড়গ্রামে ১০,১২ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৭০০টি পরিবারের রায়তি জমির সমস্যা রয়েছে। তাঁরা পাট্টা পাচ্ছিলেন না। এখন জমিটা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাসজমিতে পরিণত হয়েছে। তাই আমি মুখ্যসচিবকে বলেছি, ডিএমকে বলব এই ৭০০ পরিবার যাতে পাট্টা পায়।’’ পাট্টা সাধারণত উদ্বাস্তু বা ভূমিহীনদের দেওয়া হয়। সেই পাট্টা হস্তান্তরযোগ্য বা বিক্রয়যোগ্য নয়। জমির রায়ত সত্ত্ব পুনরুদ্ধার কমিটির আহ্বায়ক কমল দত্ত বলছেন, ‘‘সমস্যার সমাধান হল বলে মনে করছি না। আমারা বার বার চেয়েছি জমির রায়ত সত্ত্ব ফিরিয়ে দিতে হবে।’’ বিশিষ্ট আইনজীবী কৌশিক সিনহাও বলছেন, ‘‘পাট্টার জমি হস্তান্তর বা বিক্রি করা যায় না। আর রায়ত হলে কেনা-বেচা করা যাবে।’’
অরণ্যশহরের ১০ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ৪২ একর রায়ত জমির সমস্যা প্রায় সাড়ে চার দশকের। ২০১৮ সাল থেকে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নজরে রয়েছে বিষয়টি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)