Advertisement
E-Paper

অনুত্তীর্ণের জন্য অ্যাডমিট চেয়ে বিড়ম্বনায় স্কুল

কোনও বিষয়ে কেউ পেয়েছে ১, কেউ আবার ২। সব বিষয়ে অনেকের মোট নম্বর ২৫। এমনই  ২৩ জনকে এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র দিল না মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০০:৫০

কোনও বিষয়ে কেউ পেয়েছে ১, কেউ আবার ২। সব বিষয়ে অনেকের মোট নম্বর ২৫। এমনই ২৩ জনকে এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র দিল না মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ওই ছাত্রছাত্রীদের অ্যাডমিট কার্ড না আসায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে চড়াও হয়ে রবিবার অবস্থান-বিক্ষোভ দেখায় তারা। সঙ্গে ছিলেন তাদের অভিভাবকেরা। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালে ওই বাড়ির সামনে বসানো হয় পুলিশ পাহারাও।

এবার ওই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল ৪৩৮ জনের। এদের মধ্যে ২৩ জন টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করে। ফলে টেস্টে উত্তীর্ণ ৪১৫ জন ছাত্রছাত্রীর ফর্ম পূরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পাঠিয়ে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে অনুত্তীর্ণ ২৩ জনের অভিভাবকেরা স্কুলে একটি করে লিখিত আবেদনে জানান, মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেলে তাঁদের ছেলেমেয়েরা ভাল ভাবে পড়াশোনা করে পাশ করতে পারবে।

ওই আবেদন মেনে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের ফর্ম পূরণের সুযোগ করে দিয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর কেন ফর্ম পূরণ—প্রশ্ন তুলে ওই ২৩ জনের টেস্ট পরীক্ষার উত্তরপত্র চেয়ে পাঠায় পর্ষদ। সেই উত্তর পত্র পরীক্ষা করতে গিয়েই পর্ষদের কর্তারা জানতে পারেন, ওই ২৩ জন টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে তাদের পরীক্ষায় বসার আর্জি নাকচ করে দেয় পর্ষদ। পাঠায়নি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও। ফেল করা ওই ২৩ জন ছাত্র ছাত্রীকে চাপে পড়ে শেষ মুহূর্তে টেস্ট পরীক্ষায় স্কুল থেকে পাশ করিয়ে ফর্ম পূরণ করে পাঠালে তাও অগ্রাহ্য করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পাঠানো হল না তাদের অ্যাডমিট কার্ডও। ফলে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষাতেই বসতে পারছে না তারা।

মঙ্গলবার থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু। স্বভাবতই অ্যাডমিট কার্ড হাতে না পেয়ে রবিবার স্কুল ছুটি থাকায় তারা চড়াও হয় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে। পুলিশ গিয়ে অবশ্য তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। বসানো হয় সিভিক কর্মীদের পাহারা।

ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অনন্তকুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘টেস্ট পরীক্ষায় তাদেরই আটকানো হয়েছিল যারা প্রতিটি বিষয়ে ১ থেকে ৫ পর্যন্ত নম্বর পেয়েছে। পরে তারা স্কুলের আছে আবেদন করে। বিড়ি শ্রমিক অধ্যুষিত পিছিয়ে পড়া এলাকা বলে আবেদন মেনে ফর্ম পূরণ করে পর্ষদের কাছে জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু পর্ষদ থেকে তাদের টেস্টের উত্তরপত্র চেয়ে পাঠায়। তাও জমা দেওয়া হয়েছিল। এখন পরীক্ষা করে দেখে পর্ষদ কর্তাদের চোখ কপালে ওঠে। কোনোমতেই তাদের এ বারে পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র দিতে রাজি হয় নি তারা। তাই তারা অ্যাডমিট কার্ডও পায়নি।”

Madhyamik Nimtita
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy