Advertisement
E-Paper

প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব বাড়াতে শুরু ‘আনন্দী’

প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার বাড়াতে এক বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় চালু হয়েছিল একটি বিশেষ প্রকল্প। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যার নাম রেখেছিলেন ‘আনন্দী’।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:২৬

প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার বাড়াতে এক বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় চালু হয়েছিল একটি বিশেষ প্রকল্প। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যার নাম রেখেছিলেন ‘আনন্দী’। এক বছরের মধ্যেই ওই জেলায় বাজিমাত করা এই প্রকল্প এ বার একই কায়দায় পথচলা শুরু করল মালদহ জেলায়। নাম সেই ‘আনন্দী’।

বুধবার মালদহের দুর্গাকিঙ্কর সদনে একটি সভায় সেই প্রকল্পের সূচনা করলেন জেলাশাসক শরদ দ্বিবেদী। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আগামী মার্চ মাসের মধ্যে এই জেলায় প্রতিষ্ঠানিক প্রসবের হার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হবে। এ দিন মালদহের এই সভায় জেলার সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, স্বাস্থ্য সঞ্চালক, দু’টি ব্লকের এএনএম ও আশা কর্মী, বিএমওএইচ, বিডিও সকলকেই প্রকল্পটিকে সার্থক করে তোলার আবেদন জানান।

মালদহে মেডিকেল কলেজ রয়েছে। চাঁচলে মহকুমা হাসপাতাল রয়েছে। এমনকী জেলায় আরও ১৬টি গ্রামীণ হাসপাতাল ও ৮টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও প্রসবের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মালদহ জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার রাজ্যের গড়ের চেয়ে অনেকটাই নীচে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, যেখানে রাজ্যে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার প্রায় ৯০ শতাংশ, সেখানে ২০১৫ সালের পয়লা এপ্রিল থেকে এ বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মালদহ জেলায় এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। চলতি আর্থিক বছরের এপ্রিল থেকে অগস্ট মাস পর্যন্ত ওই হার কিছুটা বেড়ে ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

জেলার ১৫টি ব্লকের মধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর ২, চাঁচল ২, রতুয়া ১, মানিকচক ব্লকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হারের চিত্র খুবই করুণ। ওই ব্লকগুলিতে বাড়িতেই প্রসবের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি। জেলায় মেডিকেল কলেজ সহ এত ব্লক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার কম হওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এই উদ্বেগেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কায়দায় এই জেলাতেও ‘আনন্দী’ প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, গত বছরের অগস্ট মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় যখন ওই প্রকল্প চালু হয় সে সময় জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার ছিল ৬৫ শতাংশ। কিন্তু প্রকল্প চালুর এক বছরের মধ্যেই সেই হার গিয়ে দাঁড়ায় ৮৫ শতাংশে।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দিলীপকুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলাকে বোঝানো হবে ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উৎসাহ দেওয়া হবে। জননী শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমে বিনামূল্যে পরিবহণ ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে। প্রতিটি প্রসব কেন্দ্রেই যেন ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা দেওয়া হয় তাতে জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া পঞ্চায়েত, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহ সরকারি বিভিন্ন দফতরকে কাজে নামানো হবে।’’

Anandi Project free service to children
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy