ইরানের রাজধানী তেহরানে বিস্ফোরণ। ছবি: রয়টার্স।
রবিবার হরমুজ় প্রণালীতে একটি জাহাজে হামলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কে বা কারা ওই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। হরমুজ প্রণালী পশ্চিম এশিয়ার সঙ্গে গোটা বিশ্বের বাণিজ্যিক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। প্রচুর পণ্যবাহী জাহাজ এই পথে যাতায়াত করে।
রবিবার বিকেলে দুবাইয়ে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যেতে শুরু করেছে। তবে কী কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বাহারিন, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করে দিল ব্রিটিশ দূতাবাস। যাঁরা ওই দেশগুলিতে রয়েছেন, তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ওই দেশগুলিকে আপাতত না যাওয়ার অনুরোধ করেছে ব্রিটিশ দূতাবাস।
খামেনেইয়ের মৃত্যু নিয়ে এ বার মুখ খুলল ইউরোপীয় ইউনিয়নও। ইউরোপীয় জোটের বিদেশনীতি বিষয় প্রধান কাজ়া কালাসের কথায়, “খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে ইরানের ইতিহাসে এক নির্ধারক অধ্যায়।”
বাহরিনে মার্কিন দূতাবাস সে দেশে থাকা আমেরিকান নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে। বাহরিনের রাজধানী মানামার হোটেলে আপাতত না-থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। মানামার হোটেলগুলিতে ফের হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে তারা।
ইরানে হামলার বিরুদ্ধে শনিবারই মুখ খুলেছিল রাশিয়া। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের আচরণকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে মন্তব্য করেছিল। রবিবার খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরেও ফের আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে বিঁধেছে মস্কো। খামেনেইয়ের হত্যাকে ‘অনৈতিক’ বলে নিশানা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এটিকে একটি ‘নৃশংস হত্যাকাণ্ড’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পুতিনের কথায়, এই হত্যাকাণ্ডের ফলে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে।
আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে নতুন আয়াতোল্লা (সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা) বেছে নিল ইরান। খামেনেইয়ের উত্তরসূরি হিসাবে অস্থায়ী দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ আরাফিকে। তিনিই হচ্ছেন নতুন আয়াতোল্লা। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান ‘সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’-এর প্রধান আলি লারজানি বলেন, “আজ আমরা ওদের উপর এমন হামলা করব, যা ওরা কখনও দেখেনি।” ট্রাম্পও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “ওরা বলছে ওরা নাকি আরও জোরালো হামলা করবে। ওরা এমন না করলেই ভাল। কারণ যদি ওরা এমন কিছু করে, আমরাও এমন হামলা করল, যা ওরা কখনও দেখেনি।”
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। তিনি জানান, প্রতিশোধ নেওয়াটা ইরান নিজেদের বৈধ অধিকার এবং আশু কর্তব্য হিসাবে দেখছে। এবং এই কর্তব্য পালনে কোনও খামতি রাখবে না তেহরান।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy