কাতারে এলএনজি রফতানির বৃহত্তম ঘাঁটিতে হামলা চালাল ইরান। ছবি: রয়টার্স।
আমেরিকার ওয়াশিংটনের সেনাঘাঁটিতে ড্রোনের রহস্যময় আনাগোনা। ওই সেনাঘাঁটিতেই থাকেন আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো এবং প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, ড্রোনগুলিকে চিহ্নিত করতে পেরেছে আমেরিকা। রুবিয়োদের নিরাপত্তাগত ঝুঁকি এড়াতে ওয়াশিংটনে তড়িঘড়ি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।
গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্রে ইজ়রায়েলি হানার পরেই ইরান জানিয়ে দেয় যে, তারা এ বার পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তেল এবং গ্যাস উত্তোলনকেন্দ্রগুলিকে নিশানা করে হামলা চালাবে। ঘটনাচক্রে, সেই হুমকির পরেই কাতারে হামলা চালায় তারা।
বুধবার ইরানের বৃহত্তম গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্র সাউথ পার্সে হামলা চালায় ইজ়রায়েল। আমেরিকা এই বিষয়ে কিছুই জানত না বলে দাবি করলেন ট্রাম্প। এই
সামরিক অভিযানে আমেরিকা বা কাতারের কোনও হাত নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
তাঁর বক্তব্য, রাগের বশে এই কাজ করেছে ইজ়রায়েল।
কাতারে গ্যাসের ঘাঁটিতে ইরান ফের হামলা চালালে আমেরিকা কঠোর পদক্ষেপ করবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের হামলার নিন্দা করল কাতার। সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, সাধারণ নাগরিক, গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর জায়গার উপর হামলা চালিয়ে সমস্ত ধরনের লক্ষ্মণরেখা পেরিয়ে গিয়েছে ইরান। কাতারের তরফে জানানো হয়েছে এলএনজি রফতানি কেন্দ্র লক্ষ্য করে ইরান পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। তার মধ্যে চারটিকে প্রতিহত করা হয়। একটি আছড়ে পড়ে গ্যাসের ঘাঁটিতে।
কাতারে প্রাকৃতিক গ্যাসের বৃহত্তম ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান। কাতারের রাস লাফরান শিল্পতালুকে থাকা এই ঘাঁটি থেকেই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানি করা হয়। ইরানের হামলায় ওই ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বুঝতে বিশেষ দল নিযুক্ত করেছে কাতার। আপাতত হতাহতের কোনও খবর নেই।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy