ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
আনুমানিক ৫৪৯ কোটি টাকা খরচা করে বানানো হয়েছে সেতু। কিন্তু এক দশকের মধ্যেই তাতে ফুটে উঠেছে লম্বা ফাটল। সমাজমাধ্যমের অনুসারীদের সঙ্গে সেই ফাটলের ভিডিয়ো ভাগ করে নিচ্ছিলেন এক তরুণ। কিন্তু তখনই তাঁর সঙ্গে ঘটে গেল এক মনখারাপ করা বিষয়। মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেল তরুণের, যা ধরা পড়ল ক্যামেরায়। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারে। বিহারের গোপালগঞ্জের যদুপুর-মঙ্গলপুর যুক্তকারী সেতুতে ঘটেছে ঘটনাটি। ২০১৬ সালে বিহারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সেতুটির উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু দশ বছরের মাথাতেই সেটি ফেটে প্রায় দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে। সেই ফাটল থেকে উঁকি মারলে নীচের প্রায় সমস্ত জিনিসই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতেই ভিডিয়ো করছিলেন তরুণ।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সেতুর মাঝে চওড়া ফাটল। তাতে ইঁট ঢুকিয়ে ফাটলটি ঠিক কতটা চওড়া তা বোঝানোর চেষ্টা করছেন এক তরুণ। পাশে তাঁর বন্ধু মোবাইল হাতে ভিডিয়ো করছেন। সেতুর ধারে পড়ে থাকা একটি ইঁট তুলে ফাটলে ঢুকিয়ে দেখাতে গেলেন তরুণ। ঠিক তখনই তাঁর সঙ্গে ঘটে গেল এক খারাপ জিনিস। তরুণের পকেটে থাকা মোবাইলটি পড়ে গেল। পড়ল তো পড়ল সেতুর সেই ফাটল থেকে সোজা নীচে গিয়ে পড়ল। তরুণের মুখে বিষাদের ছায়া দেখা গেল। ভিডিয়োটি এখানেই শেষ হয়ে যায়। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘_ল_মিমস’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন। বহু নেটাগরিক সেতুর নির্মাণকাজের নিন্দা করেছেন। অনেকে তরুণের মোবাইল পড়ে যাওয়া নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।