• অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিশ্ব জুড়ে প্রচারে ‘ব্র্যান্ড বাংলাদেশ’

Tarana Halim
তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সময় বেঁধে কাজ শুরু করে রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রশংসা ও শংসাপত্র আদায় করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ। এ বার দেশের ভাবমূর্তি ফেরাতে বিশ্বজুড়ে ‘ব্র্যান্ড বাংলাদেশ’-এর প্রচারে নামছে শেখ হাসিনা সরকার। রবিবার কলকাতায় বাংলাদেশের তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আনন্দবাজারকে জানান, এই প্রচারের একটি কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরির জন্য এখন তাঁর দফতরের কর্মী-আধিকারিকরা কাজ করছেন।

বাংলাদেশের তথ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বজুড়ে প্রচারের জন্য একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। জঙ্গিবাদ-মৌলবাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ কী ভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে, বিশ্বজুড়ে শান্তি স্থাপন ও অর্থনৈতিক প্রগতিতে এই দেশ কী অবদান রেখে চলেছে, তথ্য দিয়ে তা এই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হবে। তারানা হালিম বলেন, ‘‘বিশ্বের নানা দেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে নানা ধরনের নেতিবাচক চিত্র রয়েছে। যেমন, মালয়েশিয়ার বহু মানুষ মনে করেন বাংলাদেশ শুধু দক্ষ-অদক্ষ শ্রমিকদের বাসভূমি।’’ তাঁর কথায়, আগের সরকারগুলির সৌজন্যে ইউরোপের বহু মানুষ বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ মৌলবাদী আর জঙ্গিদের দেশ। তিনি জানান, এই প্রেক্ষাপটেই তাঁরা বিশ্ব জুড়ে ‘ব্র্যান্ড বাংলাদেশ’-এর প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দু’দিন আগেই বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবির চট্টগ্রামের একটি সভায় বলেছেন— বাংলাদেশে নির্বাচন কারও কারও কাছে উৎসব, আর সংখ্যালঘুদের কাছে আতঙ্ক। শনিবার কলকাতায় ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভায় বাংলাদেশের তথ্য প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ছবিটা এখন উল্টো। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেড়েছে বাংলাদেশে। বেড়েছে দুর্গাপুজো। নিরাপত্তা নিয়ে তাঁরা যে আর দুশ্চিন্তায় নেই, এটা তার একটি উদাহরণ। সংখ্যালঘুরা জানেন, এই সরকার তাঁদের গায়ে আঁচটুকু লাগতে দেবে না। রবিবার তারানা বলেন, নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজর রাখছে সরকার। কোথাও যাতে সংখ্যালঘুদের হুমকির মুখে না-পড়তে হয়, দেশের সব জেলার প্রশাসনকে সে বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

হালিম বলেন, ‘‘প্রতিশ্রুতি অনেকেই দেন। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন, প্রতিশ্রুতি পালনে তিনি কোনও বাধাকেই বাধা মনে করেন না।’’ তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন— একাত্তরে পাকিস্তান হানাদারের সঙ্গী অত্যাচারী রাজাকারদের শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি সে কাজ করে দেখিয়েছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন— শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচার হবে। সে কাজও তিনি শেষ করেছেন। তারানা হালিম বলেন, ‘‘এ ভাবেই সংখ্যালঘুদের আস্থা অর্জন করেছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের মানুষ বুঝেছেন, তাঁর ওপরে ভরসা করা যায়।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন