বুথ ফেরত সমীক্ষার প্রভাবে শেয়ার বাজারের পাশাপাশি বাড়ল টাকার দরও। সোমবার ১ ডলারের দাম ৪৯ পয়সা কমে হয়েছে ৬৯.৭৪ টাকা। ডলারের নিরিখে টাকার দামের এই উত্থান গত দু’মাসের সর্বোচ্চ। এর আগে গত ১৮ মার্চ ডলারের দাম ৫৭ পয়সা কমেছিল। বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, এ দিন শেয়ার বাজারে বড় অঙ্কের পুঁজি ঢেলেছে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলিও। ফলে বাজারে ডলারের জোগান বেড়েছে। সে কারণেই দামি হয়েছে টাকা। বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকে স্বাগত জানিয়েছে মুদ্রার বাজার। এই প্রবণতা আগামী কয়েকটা দিন বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

বাজারের কারবারিদের একাংশের বক্তব্য, প্রায় সব বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতই এক দিকে। যা স্থায়ী ও শক্তিশালী সরকার গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমীক্ষা যদি মিলে যায় তা হলে গত পাঁচ বছরে কেন্দ্রের নেওয়া আর্থিক নীতিগুলি আগামী পাঁচ বছরেও বজায় থাকবে। যা বাজারের পক্ষে ইতিবাচক। আর্থিক নীতিতে এই স্থায়িত্ব থাকলে দীর্ঘমেয়াদি লগ্নিও বাজারে আসে। মুদ্রার বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ১ ডলারের দাম ৬৮ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

তবে বিশেষজ্ঞদের অন্য একটি অংশের মতে, নির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, বাজারে তার প্রভাব কয়েক দিনই বজায় থাকবে। তার পরে অর্থনীতির মূল উপাদানগুলির উপরেই নির্ভর করবে বাজারের গতিমুখ। আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম এমনিতেই ঊর্ধ্বমুখী। সে ক্ষেত্রে তেল আমদানির খরচ বাড়বে। তার প্রভাব টাকার উপরে কী ভাবে পড়ে সে দিকেও নজর রাখতে হবে।