বিরোধীরা শুল্ক কমিয়ে পেট্রল, ডিজেলের দাম কমানোর দাবি তুললেও সেই সম্ভাবনা কার্যত উড়িয়ে দিলেন অরুণ জেটলি। তাঁর যুক্তি, এক মাত্র বেতনভোগী চাকরিজীবী ছাড়া সমাজের বাকি অংশের অনেক মানুষ মোটেই সৎ ভাবে কর মেটান না। সেই কারণেই সরকারকে জ্বালানির শুল্কের উপর অনেকটা নির্ভর করতে হয়। জেটলির আজকের যুক্তির পরে প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কর ফাঁকি রুখতে না পারলে তার খেসারত সবাইকে দিতে হবে কেন? কেন্দ্র অন্য জায়গা থেকে কর আদায় বাড়াতে চেষ্টা করছে না কেন?

জেটলি অবশ্য যুক্তি দিয়েছেন, মোদী সরকারের চার বছরে নোট বাতিল, জিএসটি চালু, আধার, কালো টাকার বিরুদ্ধে অভিযানের মতো পদক্ষেপে কর ফাঁকি অনেকটাই রোখা গিয়েছে। কিন্তু উৎপাদন শুল্ক থেকে আয় কমানোর ঝুঁকি যে এখনই নেওয়া হবে না, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন জেটলি।

আরও পড়ুন: বৃদ্ধির কুমিরছানাই অস্ত্র ভোটে

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম দাবি করেছিলেন, পেট্রল, ডিজেলের করের বোঝা লিটারে অন্তত ২৫ টাকা কমানো সম্ভব। তাকে কটাক্ষ করে জেটলি ব্লগে লিখেছেন, ‘‘আমার স্বনামধন্য পূর্বসূরি নিজে কখনও এ কাজ করেননি।’’ তবে জেটলির মতে, রাজ্যগুলি কর কমিয়ে সুরাহা দিতে পারে।