বৃদ্ধির হার প্রত্যাশা ছুঁতে ব্যর্থ। জিএসটি চালুর পরে ধাক্কা খেয়েছে রাজস্ব আদায়ও। এই পরিস্থিতিতে রাজকোষ ঘাটতিকে লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে বেঁধে রাখতেই যে কেন্দ্র রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে বিপুল অঙ্কের অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড দিতে চাপ দিচ্ছে, সেই অভিযোগ উঠছে অনেক দিন থেকেই। শীর্ষ ব্যাঙ্কের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নিশ্চিত ভাবেই কেন্দ্রকে বিপুল অঙ্কের অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড দিতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। যার পরিমাণ অন্তত ৩০-৪০ হাজার কোটি টাকা।

ঋণপত্র, বিদেশি মুদ্রা ইত্যাদির লেনদেন থেকে মুনাফা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর একটি অংশ তাদের ভাঁড়ারে যায়। আর বাকি অংশ কেন্দ্রকে ডিভিডেন্ড হিসেবে দেয় তারা। সাধারণত জুনে বার্ষিক হিসেব-নিকেশ শেষ হওয়ার পরে ওই ডিভিডেন্ড দেওয়া হয় অগস্টে। কিন্তু গত বছর তার অনেক আগেই অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল তারা। বাকি ৪০ হাজার কোটি দিয়েছিল অগস্টে। সূত্রের দাবি, এ বার অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড বাড়াতে বহু দিন ধরেই চাপ দিচ্ছে কেন্দ্র। মার্চের মধ্যে অন্তত ৩০-৪০ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রের কোষাগারে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত।