ত্রিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে জটিলতা রয়েই গেল রাজ্যের চটকলগুলিতে!

মজুরি বৃদ্ধি-সহ অন্যান্য দাবি নিয়ে দ্রুত ত্রিপাক্ষিক চুক্তি না হলে ১৫ মার্চ থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যেতে পারে, জানিয়েছিল চটকল শ্রমিক ইউনিয়নগুলি। লোকসভা ভোটের মুখে চটশিল্পের মতো একটি শ্রম নিবিড় ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় প্রশাসনও খানিকটা অস্বস্তিতে। মঙ্গলবার ইউনিয়ন ও চটকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র না মেলায় বুধবারও ফের দু’পক্ষকে আলোচনায় ডেকেছিলেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। সূত্রের খবর, শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি-সহ অন্যান্য দাবিগুলি খতিয়ে দেখে শ্রম দফতরের পক্ষ থেকে চুক্তির জন্য এ দিন একটি খসড়া প্রস্তাব দেওয়া হয়। যা নিয়ে দ্বিমত তৈরি হয় ইউনিয়নগুলির মধ্যেই। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাত পর্যন্ত টানা আলোচনার পর সিটু ছাড়া আইজেএমএ-সহ অন্য ইউনিয়নগুলি রাজ্যের প্রস্তাবিত চুক্তিতে সই করেছে।   

সূত্রের খবর, প্রস্তাবে চটকলের নতুন শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২৫ টাকা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। পুরনো শ্রমিকদের মজুরি ২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।  সিটু সমর্থিত বেঙ্গল চটকল মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনাদি সাহুর দাবি, শ্রম দফতরের প্রস্তাবিত খসড়া প্রস্তাবটি তাঁরা ও বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়নগুলি মানেনি। তাই চুক্তিতে তাঁরা সই করেননি। তবে বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়নগুলি ত্রিপাক্ষিক চুক্তিতে সই না করায় কিছুটা আশঙ্কিত চটকল মালিকদের একাংশ। 

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯