ভারতে পলাতক আর্থিক অপরাধী আইনের আওতায় তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নিয়মকে ‘নির্মম’ তকমা দিলেন বিজয় মাল্য। সোমবার বম্বে হাইকোর্টে তাঁর হয়ে আইনজীবী অমিত দেশাই বলেছেন, এতে ঋণদাতাদের আদপে কোনও লাভ হবে না। যদিও একই সঙ্গে দেশাইয়ের দাবি, ওই সম্পত্তি মাল্য ফেরত চান না। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এ ভাবে আসলে এই আইনের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন ঋণ খেলাপি মাল্য।

বিভিন্ন ব্যাঙ্কে ৯,০০০ কোটি টাকা ঋণ বাকি ফেলে দেশ ছাড়ায়, বসে যাওয়া বিমান সংস্থা কিংফিশারের এই কর্তাকে পলাতক অপরাধী ঘোষণা করেছে কালো টাকা লেনদেন প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনের আওতায় বিচারের ভারপ্রাপ্ত আদালত। যে আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে তদন্তকারী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টটরেট (ইডি)। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হাইকোর্টে গিয়েছিলেন মাল্য। 

সেই মামলার শুনানিতে দেশাই এ দিন বলেন, কেন্দ্র যে ভাবে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে, তাতে ঋণদাতাদের সমস্যার সমাধান হবে না। ইডি অবশ্য মাল্যের এই আবেদনের বিরোধিতা করেছে। তদন্তকারী সংস্থার যুক্তি, পলাতক আর্থিক অপরাধী আইনের মূল লক্ষ্য আসলে গ্রেফতারি এড়াতে ফেরার অভিযুক্তদের দেশে ফেরা নিশ্চিত করা।