বারাসতের রথতলায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত দাদার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করলেন ভাই। পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার বারাসতের রথতলার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বৃদ্ধ জীবনকুমার চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর দেহে পচন ধরে গিয়েছিল। মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বছর চল্লিশের ছেলে সৌগতের সঙ্গেই ওই বাড়িতে থাকতেন জীবনবাবু।  পড়শিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন জীবনবাবু। কয়েক দিন ধরে তাঁকে দেখতে না পেয়ে পড়শিরা সৌগতকে জিজ্ঞাসা করলেও উত্তর দেননি তিনি। বৃহস্পতিবার এক রকম জোর করেই জীবনবাবুর বাড়িতে ঢুকে পড়েন প্রতিবেশীরা। সেখানেই মেলে জীবনবাবুর দেহ।
এর পরেই সৌগতকে আটকে রেখে বারাসত থানায় খবর দেওয়া হয়। পড়শিরা জানিয়েছেন, সৌগতের মানসিক সমস্যা রয়েছে। পুলিশ তাঁকে বারাসত হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে ভর্তি করেছে। তাঁর মানসিক অসুস্থতা কোন পর্যায়ে, সে বিষয়ে চিকিৎসকদের মতামত চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জীবনবাবুর ছোট ছেলে সৌরভ চেন্নাই থেকে বারাসতে আসেন। তিনি চাকরি সূত্রে চেন্নাইয়ের বাসিন্দা। রাতেই তিনি বারাসত থানায় দাদার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তিনিও পুলিশকে জানান, সৌগত মাঝেমধ্যেই বাবাকে মারধর করতেন। পুলিশ আপাতত চিকিৎসকদের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। সৌগতের পক্ষে খুন করা সম্ভব কি না, তা জানার পরেই পুলিশ পরবর্তী পদক্ষেপ করবে।