• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

‘বড়’ দুর্গার বিড়ম্বনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশ

1
তত ক্ষণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশপ্রিয় পার্কের পুজোর দরজা। মণ্ডপের সামনে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় পুলিশ কমিশনার সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ। রবিবার। ছবি: শুভাশিস ভট্টাচার্য

‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্গা’ শেষমেশ বড় বিড়ম্বনায় ফেলে দিল কলকাতা পুলিশকে!

উদ্যোক্তারা বলছেন, তাঁরা ওই পুজোর জন্য পুলিশের অনুমতি পেয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ বলছে, তারা ওই অনুমতি দেয়নি।

উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, ওই পুজোর আয়োজনের জন্য সব রকমের নিয়ম মানা হয়েছে। পুলিশের আগাম অনুমতি নেওয়া হয়েছে। পুজোর আগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে, এমনকী, রাজ্যের বাইরেও ব্যানার, হোর্ডিং ঝোলানো হয়েছে। ফলে, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্গা’র মুখ দেখার জন্য একটা ‘হাইপ’ থাকবে, এটা তো পুলিশের অজানা ছিল না। তা হলে, গত কালের ঘটনার পর দেশপ্রিয় পার্কে ওই পুজোর মন্ডপের গেট পুলিশ কেন বন্ধ করে দিল?

পুজো দেখা তো বন্ধ, তা সত্ত্বেও ভোগান্তি কাটছে না দেশপ্রিয় পার্কে

এরই মধ্যে ষষ্ঠীর সাতসকাল থেকেই কৌতুহলীদের ভিড় জমেছে দেশপ্রিয় পার্কের আশপাশে। মন্ডপের গেট আবার খুলে দেওয়া হয়েছে কি না, তা দেখতে বারেবারে উঁকিঝুঁকি মেরেছে অল্পবয়সীরা। তাতেও এলাকায় সকালে যানজট হয়ে যায়! মুখ না দেখিয়েও দেশপ্রিয় পার্ক লাগোয়া রাস্তাঘাট যানজটে থমকে দেয় ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্গা’!

দেশপ্রিয় খোলা না বন্ধ, সারা দিন ধন্দে মানুষ

ওই কৌতুহলে কিছুটা হাওয়া-বাতাস লাগিয়ে দেন বড় দুর্গাই! যা দিয়ে কাল দুর্গার মুখ ঢেকে দেওয়া হয়েছিল দেশপ্রিয় পার্কে, হাওয়ায় সেই আবরণ কিছুটা সরে যাওয়ায় আবার মুখ দেখিয়ে ফেলেন ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্গা’। অবশ্যই পুলিশের অজান্তে। কারণ, পুলিশ এখনও মন্ডপের গেট খোলার অনুমতি দেয়নি। তবে, সকাল থেকেই আশপাশে যারা ঘুরঘুর করছিল কৌতুহলে, সেই সব ‘ভাগ্যবান’দের নজরে পড়ে যান মা।

তার পরেই আবার তাঁর মুখ ঢেকে যায় আবরণে!

‘বিগেস্ট দুর্গা’-র ছবি শেয়ার করলেন বিগ বি

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন