• প্রদীপ্তকান্তি ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পুষ্টি বজায় রাখতে পুজোর ভোজে কোপ প্রেসিডেন্সি জেলে

Presidency Jail
ছবি: সংগৃহীত।

বাইরের পৃথিবীতে অতিমারির সঙ্গে লড়তে গিয়ে বদলেছে অনেক কিছুই। সেই বদলের রেশ পড়েছে সংশোধনাগারেও। সাযুজ্য রেখে তাই আলিপুরের প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের দুর্গাপুজোও হচ্ছে আড়ম্বরবিহীন। অন্য বছরের মতো পুজোর চার দিন থাকছে না নানা পদের খাবার। বছরের অন্য সময়ে যেমন বিধি মেনে এবং পুষ্টিগুণের দিকে নজর রেখে বন্দিদের জন্য খাবার বরাদ্দ হয়, তেমনই হবে।

পুজোর সময়ে বিভিন্ন সংশোধনাগারে খাবারের বাড়তি আয়োজনের জন্য আলাদা করে কোনও বরাদ্দ থাকে না কারা দফতরের। ফলে পুজোয় ভাল ভাল পদ যাতে রান্না করা যায়, তার জন্য সব বন্দি তাঁদের বরাদ্দের খাবার জমিয়ে রাখেন। সেই জমানো খাবার থেকেই পুজোয় বিভিন্ন পদের ব্যবস্থা হয়। কিন্তু এ বছরে আর খাবার জমাননি বন্দিরা।

কী ভাবে জমানো হয় খাবার?

সংশোধনাগার সূত্রের খবর, প্রত্যেক বন্দির জন্য ডায়েট অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাত, ডাল, তরকারি, ডিম, সয়াবিন, মাছ, মাংস বরাদ্দ থাকে। এই খাবার তাঁদের শরীরের পুষ্টির জন্য পর্যাপ্ত। সেই বরাদ্দ থেকে রোজ কিছুটা করে খাবার কম দেওয়ার জন্য সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষকে আগেই জানিয়ে রাখেন বন্দিরা। পুজোর সময়ে সেই বাঁচিয়ে রাখা বরাদ্দ দিয়েই মাছ, মাংস, ডিম, খিচুড়ি, তরকারির আমিষ-নিরামিষ নানা সুস্বাদু পদ রান্না করা হয়। কিন্তু এই বছর বন্দিরা খাবার বাঁচিয়ে রাখার পথে হাঁটেননি। সংশোধনাগার সূত্রের খবর, করোনার বিরুদ্ধে লড়ার অন্যতম অস্ত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত সুষম আহার। খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখতেই এ বার প্রতিদিনের বরাদ্দ থেকে কম দেওয়ার অনুরোধ করেননি বন্দিরা। তাই ব্যবস্থা করা যায়নি পুজোর ভোজেরও। পুজোর সময়ে নির্দিষ্ট বরাদ্দ অনুযায়ী মাছ, মাংস, ডিম, সয়াবিন পাবেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের প্রায় ২২০০ জন বন্দি। সাধারণত সপ্তাহে এক দিন করে মাছ, মাংস, ডিম, সয়াবিন দেওয়া হয়। বাকি দিন নিরামিষ খাবারের বন্দোবস্ত থাকে।

দুর্গাপুজোর মতোই ইদের দিনগুলিতেও সংশোধনাগারে অন্যরকম রান্নার আয়োজন হয়। কিন্তু কোভিড ১৯ পর্বে ইদেও বিশেষ পদের আয়োজন হয়নি। খাবারের পাশাপাশি কোপ পড়েছে সংশোধনাগার সাজানো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন