• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দেশপ্রিয় বন্ধ জানিয়ে দিল পুলিশ, দিনভর ধন্দে মানুষ

1

শুনলাম খুলে দিয়েছে! দেখা যাচ্ছে। তুই তা হলে কালীঘাট মেট্রোর বাইরে দাঁড়া।

ষষ্টীর দুপুরে সুজাতের টেক্সটা এসেছিল রূপসার মোবাইলে। কিন্তু, কালীঘাট নেমে দেশপ্রিয় পার্কে পৌঁছে দেখা গেল কোথায় কী! চার দিক ব্যারিকেডে ঘিরে দিয়েছে পুলিশ। রাসবিহারী অ্যাভিনিউ, মনোহর পুকুর রোড, শরত্ বোস রোড এবং দেশপ্রিয় পার্ক পূর্ব— চার দিকেই বাঁশের ব্যারিকেড। কাজেই ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্গা’ আর দেখা হয়নি ওই যুবক-যুবতীর। রূপসা-সুজাতের মতো আরও অনেকেই এসেছিলেন ঠাকুর দেখতে। কিন্তু, পুলিশ তাঁদের কোথাও দাঁড়াতে দেয়নি।

কেউ কেউ পিছনের দিকের ব্যারিকেডের ফাঁক দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছিলেন। ভিড় জমে যাচ্ছে দেখে পুলিশ সেখান থেকে দর্শনার্থীদের সরিয়ে দেয়। পরে বিকেলের দিকে পার্কের ওই দিকটায় বাঁশ পুঁতে কাপড় টানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যাতে বাইরে থেকে কোনও ভাবেই দেখা না যায় ৮৮ ফুটের দুর্গা। পুলিশের নির্দেশে ঢেকে দেওয়া হয় গোটা প্রতিমাকে। কিন্তু, বেলার দিকে হঠাত্ই দেখা যায় মূর্তির আচ্ছাদন সরে গিয়েছে। খবরটা রটে যায়। ফের দর্শনার্থীরা পাড়ি দিতে থাকেন দেশপ্রিয়র উদ্দেশে। শোনা যায়, পুলিশ না কি প্রতিমা দর্শনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। পরে জানা যায়, পুলিশ কোনও নিষেধাজ্ঞা তোলেনি। পুজো উদ্যোক্তারা ঢাকা খুলে দিয়েছেন ব্যাপারটা তা নয়, হাওয়ার কারণেই প্রতিমার আচ্ছাদন সরে গিয়েছিল।

পুজো-বিধি

কিন্তু, তাতে উত্সাহে ভাটা পড়েনি একফোঁটাও। সারা দিন ধরেই ভিড়ের সারি এগিয়েছে রাসবিহারী ধরে। মূল রাস্তা থেকে প্রতিমা না দেখা গেলেও, রাস্তায় দাঁড়াতে না দিলেও, দর্শনার্থীরা নিজেদের মতো করে উঁকিঝুঁকি দিয়ে চেষ্টার কোনও কসুর করেননি। পুলিশের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে কেউ কেউ পার্কে ঢোকার অগাধ চেষ্টা করেছেন। এবং ব্যর্থ হয়েছেন।

তবে পুলিশ কমিশনার সুরজিত্ কর পুরকায়স্থ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশপ্রিয় পার্কে পুজো দেখা বন্ধই থাকছে। 

 


আরও ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন