• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দর্শকের চাপে জট নয়া সেতুর পথে

jai hind shetu majherhat
—ফাইল চিত্র

দু’বছর তিন মাস পরে ফিরে এল মাঝেরহাট সেতুতে যান নিয়ন্ত্রণের ছবি। শুধু ফিরলই না, বলা চলে রীতিমতো যানজটের চাপে চোখ ফুটল সদ্যোজাত ‘জয় হিন্দ’ সেতুর।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেতুর উদ্বোধন করার পরে এ দিনের ভিড় ছিল মূলত উৎসাহী জনতার। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। এ দিন সকালের দিকে শুধু ছোট গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও বেলায় বাস চলাচলেও ছাড়পত্র দেয় ট্র্যাফিক পুলিশ। তবে পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে নতুন সেতুতে উঠতে দেওয়া হয়নি। 

লালবাজার জানিয়েছে, সকালের প্রথম দিকে সেতুর উপরে গাড়ির চাপ তৈরি হয়েছিল। সেই চাপের কারণ ছিলেন অত্যুৎসাহী মানুষ। গাড়ি নিয়ে শুধুমাত্র নতুন সেতুতে উঠবেন বলেই বেরিয়ে পড়েছিলেন অনেকে। এমনকি, অন্য রুটের যাত্রীরাও এ দিন নতুন সেতু দেখার আকর্ষণে ওই পথে পৌঁছে যান। জয় হিন্দের উদ্বোধনের পরে এখন খানিকটা ব্রাত্য হয়ে পড়েছে বেলি ব্রিজ। ওই সেতুর গাড়ির চাপ এক ধাক্কায় কমে গিয়েছে অনেকটা। 

সেতুতে উঠে পড়া হেলমেটহীন বাইকচালকদের জন্য এ দিন ছিল বিশেষ আয়োজন। ওই চালকদের জরিমানা না করে হেলমেট বিতরণ করে ট্র্যাফিক পুলিশ। প্রথম দিন বলে কথা, তাই সকালেই সেখানে হাজির হয়ে যান কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্র্যাফিক) সন্তোষ পাণ্ডে, ডিসি (ট্র্যাফিক) রূপেশ কুমার। তাঁদের সামনেই দেখা যায়, অনেকে হেলমেট ছাড়া বাইক নিয়ে সেতুতে উঠে পড়ছেন। কিন্তু সচেতনতা বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ট্র্যাফিকের তরফে হেলমেট দেওয়া হয় ওই চালকদের।

ডিসি (ট্র্যাফিক) রূপেশ কুমার পরে জানান, এক সপ্তাহ এ ভাবেই মানুষকে সচেতন করা হবে। কিন্তু তার পরে হেলমেট ছাড়া বাইক নিয়ে কেউ যদি এই সেতুতে উঠে পড়েন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন