• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দিনেদুপুরে লুঠ খড়দহে

Injured Sarbari Devi
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শর্বরীদেবীকে। ছবি: সজল চট্টোপাধ্যায়

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের পরে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ। এক সপ্তাহও কাটেনি, ফের ডাকাতি।

সোনারপুরে সোনার দোকানে ডাকাতি হয় ২ এপ্রিল সন্ধ্যায়। এক সপ্তাহের মাথায় খড়দহের অরুণাচল এলাকায় শনিবার সকালে ডাকাতি হল সোনা বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার একটি সংস্থায়। সোনারপুরের ঘটনায় কয়েক জন দুষ্কৃতী ধরা পড়লেও, এই ডাকাতিতে রাত পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

তবে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার সুব্রত মিত্র দাবি করেন, খড়দহের ঘটনায় ওই সংস্থার সিসিটিভি-র ফুটেজ হাতে এসেছে। সেই ছবি দেখে দুষ্কৃতীদের খোঁজ শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, দুষ্কৃতীরা তিন জন ছিল। ডাকাতির পরে তাদের কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের দিকে যেতে দেখা গিয়েছে। শনিবার দুপুরে সংস্থার কর্তৃপক্ষ খড়দহ থানায় এফআইআর দায়ের করেন। ঘটনার সময়ে হাজির থাকা সংস্থার কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শী এক মহিলা গ্রাহকের বয়ান নথিভূক্ত করা হয়েছে।

সংস্থার নিরাপত্তারক্ষী শেখ সাহাবুদ্দিন এবং বিশ্বজিৎ দাস ও অর্ক সরকার নামে দুই কর্মী পুলিশকে জানান, এ দিন সকাল সওয়া ৯টা নাগাদ তাঁরা অফিস খুলছিলেন। মেন গেট খোলার পরেই তিন দুষ্কৃতী গ্রাহক সেজে সেখানে হাজির হয়। তারা জোর করে অফিসে ঢুকে পড়ে। সাহাবুদ্দিন ও বিশ্বজিতের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ভল্ট খুলতে বাধ্য করে তারা।

পুলিশ জানায়, তখন শর্বরী ঘোষ নামে এক গ্রাহক অফিসে ঢুকছিলেন। মেন গেটে দাঁড়িয়ে থাকা এক দুষ্কৃতী তাঁকে বাধা দেয়। মহিলা কিছু না বুঝতে পেরে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতে চাইলে ওই দুষ্কৃতী অস্ত্রের বাঁট দিয়ে তাঁকে মারে। তাতে মহিলার কানের তলা ফেটে যায়। মহিলার চিৎকারে স্থানীয়েরা জড়ো হওয়ার আগেই ভল্ট থেকে সোনা ও নগদ কয়েক হাজার টাকা নিয়ে তিন দুষ্কৃতী চম্পট দেয়।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে শর্বরীর স্বামী এসে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার-২ ধ্রুবজ্যোতি দে। সংস্থার কর্মীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনিই। পুলিশ জেনেছে, দুষ্কৃতীদের বয়স আনুমানিক ৩০-৩৫ বছর। তাদের মুখ ঢাকা ছিল ও তারা হিন্দি ও বাংলায় কথা বলছিল।

তদন্তকারীরা সিসিটিভি-র ফুটেজে দেখেছেন, দুই দুষ্কৃতীর হাতে দেশি ওয়ান শটার ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। অন্য জনের হাতে কী অস্ত্র ছিল, তা স্পষ্ট নয়।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন