শহরে ফের অঙ্গদানের নজির। পেশায় শিক্ষিকা সুমিতা বসুর ‘ব্রেন ডেথ’ হওয়ায় তাঁর অঙ্গ পাচ্ছেন তিন জন। বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে গ্রিন করিডর করে সুমিতার একটি কিডনি এবং যকৃত আনা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই দু’জনের শরীরে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ওই বেসরকারি হাসপাতালেই আর এক গ্রহীতা পাচ্ছেন তাঁর অন্য কিডনিটি।

গত ২২ জানুয়ারি মুকুন্দপুরের নয়াবাদের বাসিন্দা সুমিতাকে আরএন টেগোর হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। তিনি পেশায় শিক্ষিকা। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হয়। বাড়ির কাছেই তিনি রাস্তার উপর প়ড়ে যান। পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁকে ভর্তি করেন ওই হাসপাতালে। কিন্তু, সুস্থ জীবনে তাঁকে আর ফেরানো যায়নি। শুক্রবার চিকিৎসকেরা তাঁর ‘ব্রেন ডেথ’ ঘোষণা করেন। এর পরই অঙ্গদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তাঁর পরিবার। শুরু হয় গ্রহীতার খোঁজ।

রিজিওনাল অর্গান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্ল্যান্ট অর্গানাইজেশন (রোটো)-এর মাধ্যমে জানা যায় এসএসকেএম হাসপাতালে হাওড়়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তি লিভারে সিরোসিস নিয়ে ভর্তি হয়ে ছিলেন। ‘রোটো’-এর তালিকায় তার নামও রয়েছে। সুমিতার যকৃৎ পাচ্ছেন হাওড়ার ওই বাসিন্দাই। এসএসকেএম হাসপাতালেরই অন্য এক রোগী পাচ্ছেন তাঁর কিডনি। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন।

আরও পড়ুন: পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর বোন গীতা মেটা​

আরও পড়ুন: আরএসএসের সদর দফতরে যাওয়ার জন্যই কি ‘ভারতরত্ন’ প্রণব? দাবি জেডিএস-এর​

অন্য দিকে আরএন টেগর হাসপাতালে কিডনির সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়া এক রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন হচ্ছে আর একটি কিডনি। তিন জনের শরীরে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলে তাঁদের আপাতত ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।