দূষণের উৎসে নজরদারি বাড়াতে এবং তাতে নাগরিকদের শামিল করতে এ বার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনকে (অ্যাপ) হাতিয়ার করতে চায় রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। আজ, বুধবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস। কিন্তু ইদের ছুটি থাকায় মঙ্গলবারই সেই অনুষ্ঠান পালন করে এ কথা জানান পর্ষদকর্তারা। কী ভাবে সেই অ্যাপ কাজ করবে, সেই রূপরেখা করেছেন রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য-সচিব রাজেশ কুমার।
অ্যাপ চালুর পাশাপাশি স্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গেও পর্ষদের যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এ দিন অনুষ্ঠানে সদস্য-সচিব জানান, শীঘ্রই পড়ুয়াদের নিয়ে পরিবেশ সংক্রান্ত কুইজ হবে। প্রথম দুই স্থানাধিকারীকে এক দিনের জন্য পর্ষদের সাম্মানিক চেয়ারম্যান ও সদস্য-সচিব করা হবে। প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশ আগেই পড়ুয়াদের জন্য এমন প্রকল্প 
নিয়েছে। এবং রাজেশ কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার। 
হঠাৎ এই উদ্যোগ কেন? কর্তারা বলছেন, পর্ষদের সীমিত সংখ্যক কর্মী ক্রমবর্ধমান দূষণের বিপদ রুখতে পারবেন না। এ জন্য নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতে শহরে দূষণের উৎস সন্ধান ও অভিযোগ জোগাড়ে নাগরিকেরা পর্ষদের চোখ-কান হিসেবে কাজ করবেন। পর্ষদের সদস্য-সচিব জানান, শীঘ্রই অ্যাপ চালু হবে। এতে সাধারণ মানুষ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং অভিযোগের বিহিত হচ্ছে কি না তাও বুঝতে পারবেন। পাশাপাশি, দূষণ রোধে পদক্ষেপের বিষয়েও তাঁরা পর্ষদকে অ্যাপের মাধ্যমে পরামর্শ দেবেন।
পর্ষদের এক কর্তার কথায়, ‘‘অ্যাপের মাধ্যমে জনসংযোগ বাড়বে, নাগরিকদের মধ্যে থেকে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীও তৈরি হবে। পরিবেশ রক্ষায় নতুন প্রজন্মকে শামিল করতে এই উদ্যোগ।’’ এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিল 
স্কুল ও কলেজের পড়ুয়ারাও। রাজ্যে দূষণের রোধে কী করা যায়, তা নিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে মত বিনিময়ের আসরও জমে ওঠে।