বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস কমিউনিকেশন বিভাগের পড়ুয়ারা আটকে রাখলেন শিক্ষকদের। অভিযোগ, এক অতিথি শিক্ষকের সঙ্গে বাদানুবাদ এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে তিনি লিখিত ভাবে জানিয়ে গিয়েছেন, ওই বিভাগে আর পড়াবেন না। বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের পরে উপাচার্য সুরঞ্জন দাস অবশ্য জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের প্রায় সব দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মাস কমিউনিকেশনের ৫১ জন পড়ুয়ার মধ্যে ৩৫ জন পড়ুয়া এক বা একাধিক বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি বলে অভিযোগ। বুধবার স্নাতকোত্তর প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের সব খাতা আবার দেখানোর দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা। পাশাপাশি এমফিল চালু করা, মিডিয়া ল্যাব চালু করা, শিক্ষকদের পড়ানোর মান নিশ্চিত করার মতো বেশ কিছু দাবিও রয়েছে তাঁদের।

এ সব বিষয় নিয়েই বুধবার অ্যাডাল্ট, কন্টিনিউয়িং এডুকেশন অ্যান্ড এক্সটেনশনের বিভাগীয় প্রধানকে লিখিত ভাবে জানিয়েছিলেন পড়ুয়াদের একাংশ। ওই বিভাগের অধীনেই মাস কমিউনিকেশন পড়ানো হয়। তার পরেও রাত পর্যন্ত বিভাগীয় প্রধান-সহ অন্য শিক্ষকদের পড়ুয়ারা আটকে রাখেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার উপাচার্য জানান, বিভাগের বোর্ড অব স্টাডিজ যেমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে রকম ভাবেই নিয়ম মেনে খাতা আবার দেখা হবে। মিডিয়া ল্যাবের দাবিও মেনে নেওয়া হয়েছে। যদিও এক অতিথি শিক্ষকের চলে যাওয়ার বিষয়টি তাঁকে কেউ জানাননি বলেই উপাচার্য জানিয়েছেন।