স্বাভাবিক ছন্দেই মঙ্গলবার শুরু হয়েছিল কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর-পর্ব। তাল কাটল প্রস্তাবের প্রসঙ্গ উঠতেই। কেন প্রস্তাব থেকে নাগরিক
পঞ্জির বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে, কেরলে বন্যায় মৃতদের নিয়ে কেন শোকপ্রস্তাব আনা হল না— সে সব নিয়ে বলতে শুরু করেন বাম কাউন্সিলরেরা। তাঁদের দমাতে পাল্টা চিৎকার শুরু করেন শাসক দলের কাউন্সিলরেরাও। মিনিট কয়েক হই হট্টগোল চলে। পরে অধিবেশন-কক্ষ বয়কট করে বামেরা।

এ দিন অধিবেশনের শুরুতেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ আরও কয়েক জনের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। প্রশ্নোত্তর-পর্ব শেষে বাম কাউন্সিলরেরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, কেন নাগরিক পঞ্জি নিয়ে তোলা প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে এবং কেন কেরলের বন্যায় মৃতদের জন্য শোকপ্রস্তাব আনা হল না। মালাদেবী বলেন, কেরলে বিপর্যয় এখনও পুরো কাটেনি। পরের অধিবেশনে তা নিয়ে প্রস্তাব তোলা হবে। কিন্তু থামেননি বাম কাউন্সিলরেরা। কিছু ক্ষণ পরে তাঁরা অধিবেশন-কক্ষ থেকে বেরিয়ে চেয়ারম্যানের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান।

আর নাগরিক পঞ্জির বিষয়ে বামেদের বয়কট প্রসঙ্গে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, ‘‘ওই প্রশ্নে কে সবচেয়ে দায়িত্ববান, তা জানেন বাংলার মানুষ।’’