এক্সপ্রেসওয়ের ধারে দাঁড়ানো অ্যাপ-ক্যাবের চালকের আসনে এক যুবকের গলা কাটা দেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে। ফেরার পথে পুলিশের নজরে পড়ে, এক তরুণী ওই নির্জন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁকে থানায় এনে জেরা করতেই পুলিশ জানতে পারে, নিহত যুবকের খুনে জড়িত রয়েছেন ওই তরুণীই।

বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে খড়দহ থানার কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম সুজিত সাউ (৩৫)। তিনিই ওই ক্যাবের চালক। টালার ওলাইচণ্ডী রোডের বাসিন্দা সুজিতকে খুনের অভিযোগে পুলিশ সীমা শর্মা নামে ওই তরুণী এবং তাঁর স্বামী পিন্টার কুর্মিকে গ্রেফতার করেছে। অ্যাপ ক্যাবের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে রক্তমাখা ছুরিটিও।

পুলিশ জানায়, প্রথম পক্ষের স্বামীর মৃত্যুর পরে সীমা মাস কয়েক আগে পিন্টারকে বিয়ে করেছিলেন। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও সুজিত প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিলেন সীমাকে। বিষয়টি পিন্টারকে জানান সীমা। তার পরে সুজিত এবং পিন্টারের মধ্যে গোলমালও হয়।

তদন্তকারীরা প্রাথমিক ভাবে জেনেছেন, বুধবার সন্ধ্যায় সুজিতের ক্যাবে চেপেই সোদপুরে আসেন ওই দম্পতি। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চলার সময়ে পিছনের আসনে ঘুমোচ্ছিলেন সীমা। সুজিত ও পিন্টারের মধ্যে ধস্তাধস্তির জেরে সীমার ঘুম ভাঙে। অভিযোগ, আচমকাই ছুরি চালিয়ে সুজিতের গলার নলি কেটে দেন পিন্টার। তার পরে তিনি সীমাকে রাস্তায় ফেলেই লরিতে উঠে পালান। রাতে উল্টোডাঙা থেকে পিন্টারকে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ।