মূর্তি চুরি হয়েছিল শুক্রবারে। সেই ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আউশগ্রামের গোপীনাথবাটী গ্রাম থেকে চুরি যাওয়া মূর্তি দু’টি উদ্ধার করল পুলিশ। রবিবার একটি ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে মূর্তি দু’টি উদ্ধার করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ দিন সকালে ভাতারের মাহাতা গ্রামের পুরনো হাটতলায় গোস্বামীদের একটি মন্দিরের বেদীতে দু’টি মূর্তি দেখতে পান এলাকাবাসী। তা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা অলোক বন্দ্যোপাধ্যায় মূর্তি দু’টির ছবি-সহ ফেসবুকে পোস্ট করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করে গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ মূর্তি দু’টি উদ্ধার করে। গোপীনাথবাটীর ওই মন্দিরের সেবায়েতেরা মূর্তি দু’টি শনাক্ত করেছেন। পুলিশ জানায়, এ দিনই মূর্তি দু’টি ওই মন্দিরের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, মূর্তি দু’টিকে সোনার ভেবে চুরি করে চোর। পরে চোর বোঝে, সেই দু’টি পেতলের। ঘটনাচক্রে, পেতলের মূর্তি দু’টিকে অন্য একটি মন্দিরের বেদীতে রেখে গিয়েছিল ‘ধার্মিক’ চোরই, অনুমান পুলিশের। সেবায়েতেরা জানান, মূর্তির গলায় থাকা রুপোর হারও নেয়নি চোর!

মূর্তি ফিরে পেয়ে খুশি গোপীনাথবাটী গ্রামের লোকজনও। গুসকরা থেকে গ্রামে মূর্তি দু’টিকে হরিনাম করতে করতে নিয়ে আসা হয়। মূর্তি দু’টিকে বেলতলা বাড়ির মন্দিরের পরিবর্তে বড়বাড়ির মন্দিরে রাখা হয়েছে। সেবায়েতদের তরফে অতনু গোস্বামী জানান, “পুলিশ অত্যন্ত তৎপর ছিলেন। পাশাপাশি, অলোকবাবু ফেসবুকের ‘পোস্ট’ করাতেও মূর্তি দু’টি খুঁজে পেতে সুবিধা হয়েছে।’’ আর অলোকবাবু বলেন, ‘‘মূর্তি দু’টি সম্পর্কে তথ্য চেয়েই পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে।’’