নিজেকে দন্ত চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে দিব্যি রোগী দেখা চলছিল। কিন্তু এক রোগীর সঙ্গে ওই বাগবিতন্ডার জেরে জানা গেল জানা গেল ওই চিকিৎসক আদতে ভুয়ো। কোনও ডাক্তারি ডিগ্রি তো তাঁর নেইই। উল্টে তাঁর পড়াশোনা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার রাতে বাগনান থেকে রোহিত মল্লিক ওরফে শরিফ মল্লিক নামে ওই ভুয়ো চিকিৎসককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে শুক্রবার উলুবেড়িয়া আদালতে পাঠানো হলে বিচারক চার দিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা  গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের  কেশপুরের  বাসিন্দা রোহিত মাস ছয়েক ধরে বাগনান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ওষুধের দোকানে  দন্ত চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখছিলেন। প্রেসক্রিপশনে  তাঁর ডিগ্রি লেখা রয়েছে, বিডিএস ও এমডিএস। রোগীর ভিড়ও ছিল ভালই।
বৃহস্পতিবার এক রোগীর সঙ্গে তাঁর বচসা বাধে। ওই রোগীর কথায়, ‘‘উনি যে ভাবে চিকিৎসা করছিলেন, সেটা ঠিক ছিল না। তাতেই সন্দেহ হয়।’’ তিনি চিকিৎসকের রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেখতে চান। অভিযোগ, ওই চিকিৎসক নথি দেখাতে চাননি। এরপরই স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ জানিয়েছে, রোহিত স্বীকার করেছেন, তিনি আদৌ চিকিৎসক নন।  অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর তিনি  কয়েকজন চিকিৎসকের কাছে সহায়ক হিসেবে কাজ করতেন।